বিজ্ঞাপন

‘ভারত স্বৈরাচারকে আশ্রয় দিয়ে দেশের মানুষের বিরাগভাজন হলে কিছু করার নেই’

ভারত যদি স্বৈরাচারকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের মানুষের বিরাগভাজন হয়, সেখানে আমাদের কিছু করার নেই। বাংলাদেশের মানুষই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাদের সঙ্গে শীতল থাকবে। আমাকেও আমার দেশের মানুষের সঙ্গেই থাকতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিবিসি বাংলাকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় পর্বে ভারতে শেখ হাসিনার অবস্থান নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে বিএনপির অবস্থান ব্যাখ্যা করে তারেক রহমান বলেন, সবার আগে বাংলাদেশ। আমার দেশের স্বার্থই আগে। আমি আমার দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষা করব, জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে সম্পর্ক এগিয়ে নেব।

আরেক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আরও বলেন, অবশ্যই আমি আমার পানির হিস্যা চাই। আমি আরেকজন ফেলানীকে সীমান্তে ঝুলতে দেখতে চাই না। আমরা এটা কখনো মেনে নেব না।

বর্তমান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একমাত্র বিএনপির রাষ্ট্রপরিচালনার অভিজ্ঞতা আছে মন্তব্য করে জনগণকে সেই অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

তারেক রহমান বলেন, আমরা চাই অন্তর্বর্তী সরকার সফল হোক। তাদের মূল দায়িত্ব হলো কিছু প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করা এবং একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা। আমরা প্রত্যাশা করি, তারা এই দায়িত্ব যথাযথভাবে সম্পাদন করবেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সম্পর্কের প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এই কাজটি তারা কতটা ভালোভাবে সম্পন্ন করতে পারেন, সেটির ওপরই সম্পর্কের উষ্ণতা বা শীতলতা নির্ভর করবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের রোডম্যাপ নিয়ে আগের এক মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তারেক রহমান বলেন, আমি যখন সেই মন্তব্যটি করি, তখন পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনের কোনো স্পষ্ট টাইমফ্রেম বা রোডম্যাপ ঘোষণা করেনি। পরে যখন ড. ইউনুস একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করেন এবং সেটিতে দৃঢ় অবস্থান নেন, তখন অনেকের মন থেকেই সন্দেহ দূর হতে শুরু করে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : আমাদের বিশ্বাস, নির্বাচনে বিএনপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবে : ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে তারেক রহমান

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন