১২/০২/২০২৬, ২০:০৫ অপরাহ্ণ
23 C
Dhaka
১২/০২/২০২৬, ২০:০৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

জালিয়াতির অভিযোগে চৌগাছার সাবেক সাব-রেজিস্টারসহ ৬ জনের নামে যশোর আদালতে মামলা

জালিয়াতির অভিযোগে যশোরের চৌগাছার সাবেক সাব-রেজিস্টার, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার চৌগাছার নিরিবিলি পাড়ার আহম্মদ আলী পক্ষে মৃত শাহাদৎ হোসেনের মেয়ে শারমিন সুলতানা এ মামলা করেছেন।

সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জুবাইদা রওশন আরা অভিযোগের তদন্ত করে পিবিআইকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন। বিয়ষটি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী এ্যাড শেখ তাজ হোসেন তাজু।

আসামিরা হলো, চৌগাছার সাবেক সাব-রেজিস্টার রফিকুল ইসলাম, সরুপদাহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল কদর, দলিল লেখক আনেয়ার হোসেন, আন্দারকোটা গ্রামের মোফাজ্জেল হোসেন ও তার স্ত্রী ফাতেমা খাতুন ও তার ছেলে ইনামুল হোসেন।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০০৬ সালের ৯ জানুয়ারি শাহদৎ হোসেন স্ত্রী ও দুই সন্তান রেখে মৃত্যু বরণ করেন। সে অনুযায়ী তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির ওয়ারিশ স্ত্রী ও দুই সন্তান। শাহাদৎ হোসেনের মৃত্যুর পর থেকে মোফাজ্জেল হোসেন ও তার স্ত্রী-সন্তান আহম্মদ আলীর পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত একপি জমি দখলের ষড়যন্ত্র শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৩ সালের ১৯ মার্চ মোফাজ্জেল হোসেন ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে মৃত শাহদৎ হোসেনের ছেলে হিসেবে মাহমুদুর রহমান মুক্তা নামে একটি জাল জন্ম সনদ তৈরি করে।

উক্ত জন্ম সনদ দিয়ে আসামি মোফাজ্জেল হোসেন আন্দারকোট মৌজার পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত আরএস ৮৪১ খতিয়ানের সাড়ে ১৮ শতক জমির জাল দলিল তৈরি করে। ২০১৫ সালের ৩১ মার্চ আসামিরা একে অপরের সহযোগিতায় চৌগাছা সাব রেজিস্ট্রি অফিসের মাধ্যমে আসামি ফাতেমা খাতুনের নামে দলিল করে নেয়।

আহম্মদ আলী জাল দলিলের বিষয়টি অবগত হয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে গত চলতি বছরের ৭ আগস্ট সালিস ডাকেন।
সালিসে আসামি মোফাজ্জেল হোসেন তার লোকজন জাল দলিল দেখিয়ে জমির দখল নিবে বলে খুন জখমের হুমকি দিয়ে চলে যায়। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিলে কৃতপক্ষ গ্রহণ না করায় তিনি আদালতে এ মামলা করেছেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : আবরার ফাহাদের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে যশোরে প্রগতিশীল ছাত্র-জনতার মোমবাতি প্রজ্জ্বলন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন