বিজ্ঞাপন

ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিএনপি ও জামাত মোকাবেলা করতে পারবে না : সারজিস আলম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মূখ্য সংগঠন সারজিস আলম বলেছেন, “আগামির বাংলাদেশে গণতন্ত্রিক উত্তোরনের পথে এনসিপি’র খুবই গুরুত্ব ভূমিকা এবং আগামিতে কারা সরকার গঠন করবে এনসিপি সেক্ষেত্রে নির্ণায়কের ভূমিকায় থাকবে। আপনার এতো দিন ধরে বাংলাদেশের রাজনীতির পরিক্রমায় দেখেছেন, বিএনপি তাদের জায়গা থেকে কখনো এককভাবে সরকার গঠন করতে পারে নাই। আবার যদি দেখেন, জামাত কখনো বৃহৎ পরিসরে জন মানুষের রাজনীতি করে তাদের প্রতিনিধিত্ব করতে পারেনি। সেক্ষেত্রে আমরা মনে করি, এনসিপি এই গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে বাংলাদেশে রাজনীতির পরিক্রমায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে থাকবে এবং আগামিতে বিচার ও সংস্কারের যে প্রক্রিয়াগুলোর ধারাবাহিকতা লাগবে সেক্ষেত্রে অন্যান্য সব দলের চেয়ে এনসিপি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকবে। কারণ তারা অভ্যুত্থানের সময় তারা গুরুত্বপূর্ণ জায়গাটিতে ছিল। পাশাপাশি ভারতীয় যে আধিপত্যবাদ রয়েছে সেই ভারতীয় আধিপত্যবাদকে বিএনপি বা জামাত তাদের জায়গা থেকে প্রত্যাশা অনুযায়ি মোকাবেলা করতে পারবে না। এই জায়গায় এনসিপি’র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা প্রয়োজন এবং এক্ষেত্রে এনসিপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। সে লক্ষ্যে আগামির স্থিতিশীল এবং স্ট্রেবল সরকার, সংসদ চাই। সেই জায়গায় এনসিপি’র প্রতিনিধিত্ব অনেক গুরুত্বপূর্ণ।”

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১২টায় নেত্রকোনা পৌরশহরে বড়বাজারস্থ ‘সালতি পার্টি সেন্টারে’ এনসিপি’র সমন্বয় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশন অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে তাদের জায়গা থেকে এই স্বেচ্ছাচরিতা আচরনটা করবে না এনসিপি’র সাথে। প্রত্যাশা করছি, অবশ্যই এনসিপি ‘শাপলা’ প্রতীক পাবে এবং ‘শাপলা’ প্রতীক নিয়ে আগামীর নির্বাচনে এনসিপি অংশগ্রহণ করবে। আশা করি নির্বচান কমিশনের মতো একটা প্রতিষ্ঠান, যাদের উপরে আমরা আগামিতে আস্থা রাখতে চাই, সেই নির্বাচন কমিশন যদি তারা আগেই কোন না কোন চাপে আমাদের একটা বৈধ অধিকার ‘শাপলা’ মার্কা দিতে বিভিন্ন ধরনে পিছুটান অনুভব করে, তাহলে তাদের মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচনে আমাদের আস্থা পাওয়া কঠিন হয়ে যাবে। আমরা অবশ্যই ‘শাপলা’ প্রতীক পাবো। এখানে যদি না পাওয়ার অপশন নাই, ‘শাপলা’ প্রতীক পেতে আইনগত বাধা নাই। এটা আদায় করে নিতে হবে। রাজনৈতিক বা অন্য যেকোন ভাবে হোক আমাদের জায়গা থেকে তা আদায়ে চেষ্টা চালিয়ে যাবো।”

তিনি আরো বলেন, “আমাদের উত্তরাঞ্চলের জেলা গুলোতে সমন্বয় সভা করছি। এরআগে এনসিপি জুলাই পদযাত্রা ও গণসংযোগ করেছে। পাশাপাশি আমরা মনে করছি, সংগঠনের সাংগঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধি করা অতি জরুরি। বাংলাদেশের রাজনীতির বাস্তবায়তায় হোক কিংবা আগামির নির্বাচন কেন্দ্রীয় প্রস্তুতির কথা বলেন, কিংবা আমাদের সংগঠনকে শক্তিশালী রূপে দাঁড় করানো জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আমাদের সংগঠনকে কাঠামোগতভাবে শক্তিশালী করা। সে লক্ষ্যে আমরা এই মাসের মধ্যে সকল জেলায় আহবায়ক কমিটি গঠনের দিকে যাচ্ছি এবং পরবর্তীতে আশা করি, আগামি নভেম্বর মাসের মধ্যে উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে আহবায়ক কমিটি পাবো।”

এ সমন্বয় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আশিকীন আলম, কেন্দ্রীয় সংগঠক প্রীতম সোহাগ, কেন্দ্রীয় সদস্য মো. ফাহিম রহমান খান পাঠানসহ আরো অনেকে।

পড়ুন:বিকেল তিনটার মধ্যে দাবি না মানলে চারটায় লংমার্চ শুরুর ঘোষণা শিক্ষক-কর্মচারীদের

দেখুন: আখ থেকে যেভাবে তৈরি হয় কেরুর মদ 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন