শরিয়তপুরে স্কুল শিক্ষকের পৈতৃক সম্পত্তি দখলে বাধা দেওয়ায় নিজামুল হক খান(৪০) ও তার ছেলে রেদওয়ান উল হক খানকে (১৩) কুপিয়ে মারাত্মক জখম করার অভিযোগ উঠেছে চাচাতো ভাইও তাদের অনুসারীদের বিরুদ্ধে। গতকাল সকালে পালং উপজেলার শৌলপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম সারেঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।পরে আহতদের উদ্ধার করে শরিয়তপুর সদর হাসপাতালের ভর্তি করলেও সেখানেও তাদেরকে হত্যার উদ্দেশ্য মারধর করতে আসলে প্রাণপণে বাঁচার জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য(১৯ অক্টোবর) ভোরে ভর্তি হন। এ ঘটনায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা দুই থেকে তিনজনের নামসহ শরিয়তপুর সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ ডায়ের করেন ভুক্তভোগীর স্ত্রী সুবর্ণা আক্তার।
আসামিরা হলেন, পশ্চিম সারেঙ্গা গ্রামের মৃত আঃ কাদের খানের ছেলে মতিন খান (৪৮) হুমায়ন কবির খান (৫৫),আঃ মতিন খানের ছেলে মহিবুল্লা খান শরিফ (১৮),মৃত দলিল উদ্দিন মোল্লার ছেলে এ্যাড. মহিবুল্লা শাহীন (৩৭),এ্যাড. কুতুব উদ্দিন মোল্লা (৩২),
আবদুল লতিফের ছেলে তরিকুল আজাদ (৩৫),আরিফুল রহমান (২৭),হুমায়ন কবির খানের ছেলে নাঈম খান,আবদুল মতিন খানের স্ত্রী ফারজানা আফরিন হ্যাপি (৪০),ওয়াজদ্দিন মোল্লার ছেলে ফজলুল হক মোল্লা (৫৫)।
মামলা ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গতকাল সকালে নিজামুল হক খানের পৈতৃক সম্পত্তিতে মতিন খান ও তার লোকজনেরা এসে দখলের উদ্দেশ্য জোরপূর্বকভাবে সীমেন্টের খুটি পুতিয়া টিনের বেড়া দিতে আসে এসময় ভুক্তভোগী ওই শিক্ষক তাদের বাধা দিকে একপর্যায় তাদের সাথে কথার কাটাকাটি হয়। পরে ফজলুল হক নামের এক লোক তার ওই শিক্ষককে মারধর করতে হুকুম দেন। পরে তাদের হাতে থাকা বেশি অস্ত্র দ্বারা এলোপাতালি ভাবে তাকে পিটাতে থাকলে তার ছেলে তাকে বাঁচাতে আসলে তাকে ছেন্দা দিয়ে কোপ দিয়ে গুরুতর জখম করেন।একপর্যায়ে তাদের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসলে পালিয়ে যায় তারা। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাদেরকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। সেখানেও তাদেরকে মারধর করতে আসে মতিন খান ও তার লোকজনেরা। প্রাণে বাঁচার জন্য ভোররাতে চিকিৎসার জন্য চলে আসেন মাদারীপুর সদর হাসপাতালে। মাদারীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
ভুক্তভোগী স্কুল শিক্ষক নিজামুল হক খান বলেন,এই জমির জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে মামলা হয়েছে প্রত্যেকটা মামলায় এ জমি আমাদের পক্ষে রায় দিয়েছে আদালত। এ এ জমি মূলত আমাদের বাপ-দাদা সম্পত্তি। মতিন খাঁন ও হুমায়ুন কবির খান আমার এলাকার চাচাতো ভাই হয়।আমাদের সম্পত্তি দখল করার জন্য তারাই হামলা চালিয়েছে। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছি। আমরা সরকার ও প্রশাসনের কাছে বিচার দাবি জানাই।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি মতিন খান ও তার ভাই হুমায়ুন কবির খানের মুঠো ফোনে একাধিকবার ফোন করো কোন সাড়া পাওয়া যায়নি ।
পালং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ হেলালউদ্দীন বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পড়ুন: কার্গো ভিলেজে আগুন : ২১ ঘণ্টা পরও ধ্বংসস্তূপ থেকে উড়ছে ধোঁয়া
দেখুন: দক্ষিণ চীন সাগরে সীমানা বিরোধ, কতটা আগ্রাসী হতে পারে চীন
ইম/


