পঞ্চগড়ে বিআরটিএ চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, মহাসড়কে অবৈধ কোনো যানবাহন চলতে পারবে না। এ ব্যাপারে পুলিশ, বিআরটিএ-সহ সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছি। আমরা এ ব্যাপারে কঠোর। আমি আবারো বলছি এ ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে আছি।
শনিবার রাতে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন এবং বিআরটিএ পঞ্চগড় সার্কেলের যৌথ আয়োজনে পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত (নিহত/আহত) ৩২টি পরিবারের অনুকূলে বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের মঞ্জুরীকৃত অর্থের চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
এসময় তিনি বলেন, কোনো লক্কড় ঝক্কড় গাড়ি মহাসড়কে আমরা চলতে দেবো না। এজন্য বিআরটিএ, প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর কাজ করে যাচ্ছে। সরকারি গাড়িগুলোও কিন্তু ছাড় পাবে না। আমি বিআরটিএ’র গাড়িও ডাম্প করেছি। সবচেয়ে যে মারাত্মক বিষয়টি আপনারা আলোচনা করেন নাই সেটা হলো আমরা এখন সবাই ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্টে (জনসংখ্যার বড় অংশ উৎপাদনশীল কাজে যুক্ত) আছি। ২০৪০ সাল পর্যন্ত আমাদের ইকোনমিক টেকঅফ প্রবলেম (অবকাঠামো ও শিল্পায়ন পর্যায় পেরিয়ে দেশ দ্রুত অর্থনৈতিক বৃদ্ধি)। আমাদের অধিকাংশ ইয়াং জেনারেশন যারা দেশটাকে, ইকোনমিটাকে চাঙ্গা করবে তাদের সংখ্যাটা এখন বেশি। ৪০ এর পরে এই সংখ্যাটা কমতে থাকবে। এজন্য আমাদের সজাগ হতে হবে।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এসএম ইমাম রাজী টুলুর সঞ্চালনায় ও জেলা প্রশাসক সাবেক আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) ফরহাদ হোসেন, বাস মিনিবাস, কোচ মালিক সমিতির সভাপতি মতিয়ার রহমান, পঞ্চগড় জেলা মোটর পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন ২৬৪ এর সাধারণ সম্পাদক আকবর হোসেনসহ নিহত পরিবারের স্বজনরা বক্তব্য রাখেন।
এসময় বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক তন্ময় কুমার ধর, পঞ্চগড় বিআরটিএ’র মোটরযান পরিদর্শক হিমাদ্রী ঘটক, নিহতের পরিবারের স্বজন, জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কর্মীরা সহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

