২৭/০২/২০২৬, ৬:০০ পূর্বাহ্ণ
18 C
Dhaka
২৭/০২/২০২৬, ৬:০০ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

টাঙ্গাইলের নির্বাচন অফিসে ভাংচুর ও হামলার ঘটনায় বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদকসহ ৬ নেতার বিরুদ্ধে মামলা

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে নির্বাচন অফিসে বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বাদি হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় বিএনপি ও ছাত্রদলের ৬ নেতার নাম উল্লেখ্যসহ অজ্ঞাত ১০০ থেকে ১২০ বিএনপি ও যুবদল নেতা-কর্মীকে আসামী করা হয়েছে।

মামলায় উল্লেখিত আসামীরা হলেন- পৌর বিএনপি’র সভাপতি খালিদ হাসান উথান, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক কাজী লিয়াকত আলী, পৌর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক লিটন মিয়া, পৌর বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক মহির উদ্দিন, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি তুহিন এবং বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম।

এ ঘটনার পর থেকে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন উপজেলা নির্বাচন অফিসগুলো। আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রতিটি নির্বাচন অফিসে আইনশৃঙ্খলা জোড়দানের দাবি জানিয়েছেন।

মামলায় উল্লেখ করা হয়- সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাচন অফিসার নজরুল ইসলামের অফিস রুমে বিএনপি’র ৫ নেতাসহ অজ্ঞাত যুবদল নেতা-কর্মী, অজ্ঞাতনামা ১শ’ থেকে ১২০ জন নেতাকর্মীরা প্রবেশ করে। এক পর্যায়ে পৌর বিএনপি’র সভাপতি খালিদ হাসান উথান উপজেলা নির্বাচনকে অফিসারকে বলে ‘আমি কেন তাদের মূল্যয়ন এবং কেন তাদের কথা মতো কাজ করি না। এসময় তারা আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে এমন অপবাদ দিয়ে নির্বাচন অফিসারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এক পর্যায়ে তারা ক্ষিপ্ত হইয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসারকে মারপিট করে এবং আমার ফোন কেড়ে নেয়। এই ঘটনাটি শুরু থেকে গোপালপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসের স্ক্যানিং অপারেটর সুমন রানা মোবাইল ফোনে ভিডিও করে থাকে। বিষয়টি টের পেয়ে বিএনপি’র নেতাকর্মীরা সুমন রানাকে এলোপাথারী চর থাপ্পর কিল ঘুষি এবং মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। এসময় অফিসের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর আমজাদ হোসেন স্ক্যানিং অপারেটর সুমন রানাকে রক্ষা করার চেষ্টা করিলে তাকেও লোহার রড দিয়ে এলোপাথারী মারপিট করে। অফিসের সার্ভার রুমের কার্চের গøাস বাইরাইয়া ভাংচুর করে। এসময় সহকারী উপজেলা নির্বাচন অফিসার আবু রায়হান তাদের রক্ষা করার চেষ্টা করলে তাকেও এলোপাথারী কিল ঘুষি লাথি মারে। এসময় বিএনপি’র লোকজন অফিসের অন্যান কক্ষের কার্চের থাই গøাস, বারান্দায় রাখা ফুলের টব সহ অন্যান্য আসবাবপত্র ভাংচুর করে ও হেল্প ডেস্কে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ফাইলপত্র ছিড়ে নষ্ট করে। আহত ডাটা এন্ট্রি অপারেটর আমজাদ হোসেনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার পথে পৌর ছাত্রদলের সভাপতি পুনরায় হামলা করে।

এ ঘটনার পর দুপুরে জেলা নির্বাচন অফিসার ও পুলিশ সুপারসহ উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এ ব্যাপারে জেলা নির্বাচন অফিসের সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে নির্বাচন অফিসগুলো নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছে। আগামী সংসদ নির্বাচনে প্রতিটি নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি করছি।

এ ব্যাপারে গোপালপুর থানার ওসি (তদন্ত) মামুন ভূইয়া বলেন, এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার পর আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : টাঙ্গাইলে কেকের উপকরণে রং, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ব্যবহারে জরিমানা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন