31.2 C
Dhaka
০৪/০৩/২০২৬, ১২:৫৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

আখাউড়ায় প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে বিএনপির মশাল মিছিল

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে আখাউড়ায় মশাল মিছিল করেছে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। বুধবার সন্ধ্যায় পৌরশহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নেতাকর্মীরা আখাউড়া-আগরতলা আন্তর্জাতিক সড়কে জড়ো হন। সেখান থেকে বিশাল একটি মশাল মিছিল নিয়ে তারা পৌরশহরের নারায়ণপুর বাইপাস সড়ক পর্যন্ত অগ্রসর হন। মিছিলে অংশ নিতে অনেক নেতা-কর্মী কাফনের কাপড় পরে উপস্থিত হন।

বিজ্ঞাপন

মিছিল চলাকালে নেতাকর্মীরা শ্লোগান দেন—
“লেগেছেরে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে”,
“১৭ বছর খবর নাই—এমন প্রার্থী দরকার নাই”,
“দুর্দিনে কবীর ভাই, আমরা সবাই তাকে চাই।”

হঠাৎ এ মিছিলে আন্তর্জাতিক সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। প্রায় আধ ঘণ্টা যানজটের কারণে দুর্ভোগে পড়েন পথচারী ও যাত্রীরা।

নারায়ণপুর বাইপাস এলাকায় পথসভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদীন আব্দু। বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি বাহার মিয়া, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. সেলিম ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন খান, উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মহসিন আহমেদ ভূঁইয়া, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক জাবেদ ভূঁইয়া, সদস্য সচিব হুমায়ুন রহমান নয়ন, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হাসান সানি, ইমরান মোল্লাসহ অন্যরা।

বক্তারা অভিযোগ করেন, দুর্দিনে কবীর আহমেদ ভূঁইয়া দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন এবং আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন। তাই তাকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে মনোনয়ন দেওয়া তৃণমূলের প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তারা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার দাবি জানান।

নেতারা হুশিয়ারি দিয়ে বলেন—
“দাবি না মানলে কঠোর থেকে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন ইতোমধ্যে দেওয়া হয়েছে দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সিনিয়র সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানকে।

পড়ুন- আড়াই কেজি ওজনের ইলিশ ১৬ হাজার টাকায় বিক্রি

দেখুন- ভুল পথে হাঁটছে ইসরাইল, জবাব দেবে ইরান! |

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন