শুক্রবারের ভয়াবহ ভূমিকম্পে নরসিংদীর পলাশ রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের প্রধান ফটকের সামনের রাস্তায় ফাটল দেখা দিয়েছে। কাছাকাছি লেবুপাড়া নামক স্থানে একটি গরুর খামারের মাঝামাঝির মাটি ফাঁকা হয়ে গেছে। ওই খামারটিতে শতাধিক গরু ছিল। তবে স্থানীয়রা বলছেন, দুটি প্রতিষ্ঠান ডোবাতে বালুমাটি বরাট করে স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। এতে মাটি গুলো ডোবার দিকে হেলে রয়েছে। এর ফলে ফাটল হয়েছে।
শুক্রবার ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ভুমিকম্পে নরসিংদীর ঘোড়াশালে বিভিন্ন স্থানে ফাটল ধরা মাটি পরীক্ষা নীরিক্ষা চালু করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগ। শনিবার সকালে ঘোড়াশাল পৌর এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত ঘোড়াশাল ডেইরি ফার্ম ও পলাশ রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে ধসে পড়া মাটির নমুনা সংগ্রহে কাজ করেন ভূতত্ত্ব বিভাগের ৭ সদস্যের একটি টিম।
এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. আ.স.ম ওবায়দুল্লাহ জানান, প্রাথমিক ভাবে তারা ফাটল ধরা মাটির নমুন সংগ্রহ করছে। এসব নমুনা সংগ্রহের পর তা পরিক্ষা নীরিক্ষা করে কি ধরণের ভূমিকম্প হয়েছে বা কতটুকু গভীরতা তার নিশ্চিত হওয়া যাবে।
অন্যদিকে জেলা ব্যাপী ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করতে কাজ করছে জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন ইউনিট। আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুষ্ঠানিক ভাবে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবু তাহের মো. শামসুজ্জামান।
তবে পলাশ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) কাউছার আলম সরকার জানান, ইতিমধ্যে পলাশ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করতে কাজ করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত শতাধিক মাটির ঘর ও অর্ধশতাধিক সরকারি-বেসরকারি ভবন ফাটল ও ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে এর পরিমাণ আরও বাড়বে বলেও জানান তিনি। এছাড়া ভূমিকম্পের সময় পলাশ উপজেলা মারা যাওয়া দুই জনের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়া সহ কয়েকজন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সহযোগিতা করা হয়েছে।
পড়ুন- ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে নারী শিশু সহ আটক ১৩
দেখুন- সৌদি ও বিন সালমানের সাফল্য |


