২৭/০২/২০২৬, ১৯:০৯ অপরাহ্ণ
27 C
Dhaka
২৭/০২/২০২৬, ১৯:০৯ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

সপ্তাহব্যাপী প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী আড়াই ঘন্টায় ফাঁকা! দর্শনার্থীদের হাস্যরসের ঝড়

‘দেশীয় জাত, আধুনিক প্রযুক্তি—প্রাণিসম্পদে হবে উন্নতি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বুধবার, ২৬ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৫। তবে উদ্বোধনের মাত্র আড়াই ঘন্টার মধ্যেই ইসলামপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সাজানো পুরো প্রদর্শনী মাঠ ফাঁকা হয়ে যায়, যার ফলে অনুষ্ঠানজুড়ে তৈরি উৎসবের আমেজ মুহূর্তেই মিলিয়ে যায়।

বিজ্ঞাপন

দৃষ্টিনন্দন প্যান্ডেল, সারিবদ্ধ স্টল, সুন্দরভাবে সাজানো মূল স্টেজ—সবকিছু মিলিয়ে প্রদর্শনী প্রাণবন্ত হওয়ার কথা থাকলেও অতিথিরা চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একে একে স্টলগুলো ফাঁকা হতে শুরু করে। আড়াই ঘন্টার মধ্যেই পুরো মাঠ ফাঁকা হয়ে যাওয়ায় স্থানীয়রা হাস্যরস ও কৌতুকপূর্ণ মন্তব্য করতে ছাড়েননি। কেউ মজা করে বললেন, “মেলা তো সপ্তাহ জুড়েই চলার কথা, কিন্তু এ যেন এক হীরক কর্মকর্তার ক্যালমা—চোখের পলকে শেষ!”

উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের যৌথ আয়োজন এবং প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)-এর সহযোগিতায় সপ্তাহব্যাপী এই প্রদর্শনী আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু স্বল্প সময়ের মধ্যে স্টলগুলো ফাঁকা হয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা জন্মেছে।

প্রদর্শনীতে মোট ৩০টি স্টল থাকার কথা থাকলেও অধিকাংশই ফাঁকা দেখা গেছে। খামারিদের অংশগ্রহণে গরু, ছাগল, মহিষ, ভেড়া, কবুতর, ঘোড়া সহ বিভিন্ন প্রাণী প্রদর্শনের কথা থাকলেও উদ্বোধনের অল্প সময় পরই স্টলগুলো ফাঁকা হয়ে যায়। ফলে স্টলশূন্য মাঠ যেন হঠাৎ শূন্যাঙ্গ এক প্রদর্শনীতে রূপান্তরিত হয়।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আব্দুল আলিম বলেন,
“প্রধান অতিথি চলে যাওয়ার পর খামারিরা তাদের পশুগুলো নিয়ে চলে গেছেন। প্রদর্শনীটি মূলত একদিনের, সপ্তাহের বাকি দিনগুলোতে অন্যান্য কর্মসূচি রয়েছে। আমাদের আজকের কর্মসূচি দুপুর ২ টা পর্যন্ত চলমান ছিল। কেউ যদি ৪টার সময় আসে, তবে তো পুরো মাঠই শূন্য দেখবে।”

পড়ুন- শেরপুরে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

দেখুন- ইসরাইলকে পাশ কাটিয়ে সৌদিকে কাছে টানছে ট্রাম্প? | 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন