গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেনির ১০জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম ও সংশ্লিষ্টদের গাফেলতিতে এমন হয়েছে অভিযোগ করেন ওই বিদ্যালয়ের অভিভাবকরা। এঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন।
রবিবার (৩০ নভেম্বর) বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আল হাসান। এর আগে ১৭ নভেম্বর জেলা শিক্ষা অফিসার ও ২৪ নভেম্বর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেন ওই বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেনির শিক্ষার্থী সায়েমাহ্ আক্তার স্নেহার মা মাহামুদা আক্তার শিল্পী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শিক্ষাবোর্ড থেকে বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহনে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের নাম নিবন্ধনের জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে পত্র দেয়া হয়। কিন্তু তিনি বা কোন শিক্ষক কর্মচারী বিষয়টি অভিভাবকদের অবগত করেননি। এমনকি বিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ডে বা শ্রেনীকক্ষে কোন নোটিশ দেননি।
বিষয়টি আচ করতে পেরে অভিভাবকরা যোগাযোগ করলে প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন শিক্ষাবোর্ডে যোগাযোগ করে তাদের বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহনের ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু পরে আর কিছুই জানানো হয়নি। পরে জেলা শিক্ষা অফিসার ও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হয়।
এ প্রেক্ষিতে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আল হাসান স্বাক্ষরিত তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে দেন। কমিটিতে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার মারজান সরকারকে প্রধান করে এতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এসএম সাঈদ হাসান ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার এএইচএম হুমায়ুন কবিরকে তদন্তের নিদের্শ দেন।
এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আল হাসান বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। গঠিত কমিটি প্রতিবেদন দাখিল করলে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে জেলা শিক্ষা অফিসার আতাউর রহমান বলেন, এ ঘটনার তদন্ত কমিটি রিপোর্ট দাখিল করলেই এক সপ্তাহের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পড়ুন- হাইমচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের পাতে রুই মাছের বদলে ব্রয়লার মুরগি
দেখুন- মাঠ ব্যবহারে সরকারের স্পষ্ট সিদ্ধান্ত চাইছেন আসিফ আকবর


