গত বছর ২৩ ডিসেম্বর রাজধানীর পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তরে ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি নৃশংস হত্যাযজ্ঞের তদন্তে সাত সদস্যের স্বাধীন জাতীয় কমিশন গঠন করা হয়।
বিডিআরের সাবেক মহাপরিচালক এ এল এম ফজলুর রহমানকে সভাপতি করে এই কমিশন গঠন করা হয়। তদন্ত কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন—সামরিক বাহিনীর দুজন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক, সিভিল সার্ভিসের একজন ও পুলিশের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা।
পরে কয়েকবার এই কমিশনের মেয়াদ বাড়ানো হয়। আজ এই কমিশনের বর্ধিত মেয়াদের শেষ দিন।
এর আগে গত ২৫ জুন এক সংবাদ সম্মেলনে কমিশন জানিয়েছিল, বিডিআর সদর দপ্তরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তৎকালীন রাজনৈতিক নেতাদের বিভিন্নভাবে সংশ্লিষ্টতার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। পিলখানায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ড দীর্ঘমেয়াদি ষড়যন্ত্রের ফল হিসেবে কমিশনের কাছে প্রতীয়মান হচ্ছে।
পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে সংঘটিত নৃশংস হতাযজ্ঞের ঘটনা তদন্তে গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন আজ রোববার তার মেয়াদের শেষ দিনে সংবাদ সম্মেলন করতে যাচ্ছে। কমিশনের প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান গতকাল শনিবার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘রোববার (আজ) সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরির বিআরআইসিএম ভবনে সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের তদন্ত সম্পর্কে জানানো হবে।’


