২৪/০২/২০২৬, ১৪:১৪ অপরাহ্ণ
30.1 C
Dhaka
২৪/০২/২০২৬, ১৪:১৪ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

প্রাথমিক শিক্ষায় মানোন্নয়নে সহায়তাভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ

দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন পদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের শিখন অগ্রগতি আরও কার্যকরভাবে নিরূপণের লক্ষ্যে ‘ধারাবাহিক মূল্যায়ন’-এর পাশাপাশি ‘সামষ্টিক মূল্যায়ন’ বা লিখিত পরীক্ষা পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছে। চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই এই নতুন পদ্ধতি বাস্তবায়নের চিন্তাভাবনা চলছে।

বিজ্ঞাপন

এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) প্রণীত ‘মূল্যায়ন পদ্ধতি, ২০২৬’-এর একটি খসড়া অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত করা হয়েছে। সম্প্রতি খসড়াটি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে।

সম্প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (বিদ্যালয়) রেবেকা সুলতানা জানান, প্রাথমিক শিক্ষার জন্য প্রণীত এই নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে আগামী ১৩ জানুয়ারি মঙ্গলবার একটি বিশেষ পর্যালোচনা সভা ডাকা হয়েছে। সভাটি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ও সচিবের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে চলতি বছর থেকেই নতুন এই মূল্যায়ন পদ্ধতি কার্যকর করা হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি বলেন, নতুন কোনো পদ্ধতি কার্যকর করার আগে সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও বিবেচনা নিয়ে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে।

খসড়া প্রস্তাবনা অনুযায়ী, প্রাথমিক স্তরে প্রতি শিক্ষাবর্ষে তিনটি প্রান্তিকে (টার্ম) শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন সম্পন্ন হবে। পাঠ্যপুস্তকের কাজ, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং নিয়মিত ক্লাস টেস্টের মাধ্যমে ধারাবাহিক মূল্যায়ন করা হবে। পাশাপাশি লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি পারফরমেন্স মূল্যায়নের অংশ হিসেবে মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষাও নেওয়া হবে।

জানা গেছে, নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতিতে পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হতে শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম ৮৫ শতাংশ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। একইসঙ্গে গড়ে অন্তত ৪০ শতাংশ নম্বর অর্জন করতে হবে।

ফলাফল প্রকাশ করা হবে চারটি গ্রেডে— ‘ক’, ‘খ’, ‘গ’ ও ‘ঘ’। এর মধ্যে ‘ক’ মানে অতি উত্তম, ‘খ’ উত্তম, ‘গ’ সন্তোষজনক এবং ‘ঘ’ সহায়তা প্রয়োজন। যেসব শিক্ষার্থী শূন্য থেকে ৩৯ নম্বর পাবে, তারা ‘ঘ’ গ্রেডে পড়বে। এসব শিক্ষার্থীর মানোন্নয়নে বিশেষ সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে বলে বিবেচিত হবে।

পড়ুন: এআই ব্যবহারে স্যামসাংয়ের মুনাফা তিনগুণ হতে পারে

দেখুন: ‘নিপাহ ভাইরাসে এবার আক্রান্ত ১০ জনের ৭ জনই মা*রা গেছেন’ | 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন