বহুল আলোচিত ছয় বছরের শিশু হৃদয় খান নিবির হত্যা মামলায় দুই আসামির ফাঁসি এবং এক আসামিকে ২১ বছরের সাজা প্রদান করে রায় দিয়েছে আদালত। একই সাথে তিন জনকে ৫০,০০০ হাযার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে ৷ হত্যাকাণ্ডের দীর্ঘ আরাই বছর পর ঙ্গলবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের শেখ মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় প্রদান করেন।
উল্লেখ্য,২০২৩ সালে সদর উপজেলায় পঞ্চম শ্রেণির এক শিশুকে অপহরণ করে তার পরিবারের কাছে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন অপহরণকারীরা। পরিবার মুক্তিপণ না দিয়ে বিষয়টি পুলিশকে জানালে অপহৃত শিশুটিকে হত্যা করে মাটিতে চাপা দিয়ে রাখে । পরদিন শিশুটির বাড়ির ৫০০ মিটার দূরে পরিত্যক্ত জমিতে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত শিশু হৃদয় খান নিবির উপজেলার ডোমসার ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের খিলগাঁও এলাকার মনির খান ও নিপা আক্তার দম্পতির ছেলে। নিবির স্থানীয় শিশুকানন কিন্ডারগার্টেনের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন ৷ ঐদিন স্কুল থেকে ফিরে খেলার জন্য বাড়ি থেকে বের হয় নিবিড়। এরপর তাকে আর খুঁজে পায়নি পরিবার। সন্ধ্যার দিকে নিবিড়ের মা নিপা আক্তারের মোবাইলে কল করেন অপহরণকারীরা। এ সময় ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করলে নিবিরের পরিবার থানা-পুলিশকে জানায়।
এর পরদিন সকাল ৬টার দিকে পরিত্যক্ত বাগানে মাটিচাপা দেওয়া মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
শিশুটির পিতা মনির খান বলেন, আমার অবুঝ আদরের সন্তান হৃদয় খান নিবিরকে
নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি এই দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং একজনের ২১বছরের সাজার রায়ে সন্তুষ্ঠ প্রকাশ করছি । এখন আমার এবং পরিবারের একটাই দাবী আসামীদের দ্রুত ফাঁসি কার্যকর করা হউক ৷
পড়ুন- প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা, জয়পুরহাটে প্রশ্ন-উত্তরপত্র ফাঁসের ঘটনায় একজন গ্রেপ্তার


