২০/০২/২০২৬, ২:৪৭ পূর্বাহ্ণ
21 C
Dhaka
২০/০২/২০২৬, ২:৪৭ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধে দুর্ভোগে পরিবার

সিরাজগঞ্জ পৌর শহরে পৈতৃক বাড়িতে বসবাস করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েছেন বদিউল আলম (৪৭) ও তার চার সদস্যের পরিবার। এ ঘটনায় তিনি তার ভগ্নিপতি জেলা কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহসীন আলম (৫২) ও বোন সুমনা পারভীনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

বিজ্ঞাপন

ভুক্তভোগী বদিউল আলম সিরাজগঞ্জ পৌর শহরের মিরপুর উত্তর মহল্লার মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে। তিনি একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কর্মসূত্রে দীর্ঘদিন তিনি স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তান নিয়ে ঢাকায় বসবাস করতেন। প্রায় আট মাস আগে তার পরিবার ঢাকার বাসা ছেড়ে সিরাজগঞ্জে ফিরে আসার পর পৈতৃক বাড়িতে উঠতে গেলে বাধার সৃষ্টি হয়।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বদিউল আলমের বোন ও ভগ্নিপতি তাকে বাড়িতে উঠতে বাধা দেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তিনি বাড়িতে উঠতে সক্ষম হলেও এরপর শুরু হয় বিভিন্ন ধরনের হয়রানি। রান্নাঘর, ওয়াশরুম ও টয়লেট ব্যবহারে বাধা দেওয়া হয়। সম্প্রতি গ্যাসের চুলা ও টয়লেটে যাওয়ার পথ টিনের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হলে পরিবারটি চরম দুর্ভোগে পড়ে।

এছাড়া বাবার রেখে যাওয়া ব্যাংক জমার অর্থের অংশ দাবি করায় তাকে গালাগালি, ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে বলা হয়।

বদিউল আলম জানান, “আমরা দুই বোন ও এক ভাই। আমাদের পৈতৃক সম্পত্তির পরিমাণ ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ, যা বাবার নামে রেকর্ডভুক্ত। বাবা জীবদ্দশায় কাউকে সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করে দেননি। অথচ আমাকে নানাভাবে বাড়ি ছাড়তে বাধ্য করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বাধ্য হয়ে আমি থানায় অভিযোগ করেছি এবং আদালতে বাটোয়ারা মামলা দায়ের করেছি।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক প্রতিবেশী জানান, অভিযুক্ত মহসীন আলম রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মহসীন আলমের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সাড়া পাওয়া যায়নি।

পড়ুন- জামালপুরে তিনটি আসনে ৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার

দেখুন- মনোনয়ন বৈধ হওয়ার পর যা বললেন আবদুল আউয়াল মিন্টু

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন