বিজ্ঞাপন

মেমোরি চিপ সংকটে চীনের দিকে ঝুঁকছে এইচপি, ডেল, এসার ও আসুস

বিশ্বজুড়ে মেমোরি চিপের তীব্র সংকট। বাড়ছে দাম। অনিশ্চয়তায় প্রযুক্তি শিল্প। এই প্রেক্ষাপটে বড় চার পিসি নির্মাতা— এইচপি, ডেল, এসার ও আসুস প্রথমবারের মতো চীনা নির্মাতাদের কাছ থেকে মেমোরি চিপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছে নিক্কেই এশিয়া।

বিজ্ঞাপন

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, তারা স্বাধীনভাবে এ তথ্য যাচাই করতে পারেনি। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোও তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করেনি।

মেমোরি চিপ এখন স্মার্টফোন থেকে ডেটা সেন্টার সবখানেই অপরিহার্য উপাদান। কিন্তু সরবরাহ ঘাটতি পুরো সরবরাহ শৃঙ্খলকে চাপে ফেলেছে। ফলে নতুন পণ্য উন্মোচন বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। উৎপাদন খরচও বাড়ছে দ্রুত।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এইচপি ইতিমধ্যে চীনের মেমোরি চিপ নির্মাতা চাংসিন মেমোরি টেকনোলজিস এর পণ্য যাচাই প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ২০২৬ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত বৈশ্বিক ডিআরএএম সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে তারা। যদি ঘাটতি ও মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত থাকে তবে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে বাজারগুলোর জন্য প্রথমবারের মতো সিএক্সএমটির চিপ ব্যবহার শুরু করতে পারে এইচপি।

ডেলও একই পথে হাঁটছে বলে জানা গেছে। ২০২৬ জুড়ে মেমোরির দাম বাড়তেই থাকবে— এমন আশঙ্কায় তারা সিএক্সএমটির ডিআরএএম পণ্য যাচাই করছে।

এসার জানিয়েছে, তাদের চীনা চুক্তিভিত্তিক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো যদি এসব চিপ সংগ্রহ করে তবে তারা তা ব্যবহারে আগ্রহী। অন্যদিকে আসুসও কিছু ল্যাপটপ প্রকল্পের জন্য চীনা উৎপাদন সহযোগীদের মেমোরি চিপ সংগ্রহে সহায়তা করতে বলেছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, এ সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক প্রযুক্তি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এতদিন শীর্ষ ব্র্যান্ডগুলো মূলত দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের প্রতিষ্ঠিত সরবরাহকারীদের ওপর নির্ভর করত। এখন চাপে পড়ে বিকল্প উৎস খোঁজার প্রবণতা বাড়ছে।

তবে চীনা মেমোরি চিপ ব্যবহারের সিদ্ধান্ত ভূরাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক দিক থেকেও সংবেদনশীল হতে পারে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র–চীন প্রযুক্তি প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে বিষয়টি নজরকাড়া হয়ে উঠতে পারে।

পড়ুন:খামেনির অত্যন্ত চিন্তিত হওয়া উচিত, হুমকির সুরে বললেন ট্রাম্প

দেখুন:‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালালেই ৫ বছরের কারাদণ্ড 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন