বিজ্ঞাপন

অপেক্ষার অবসান কার, আর্সেনাল না আতলেতিকো মাদ্রিদের?

ইউরোপের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে আজ নির্ধারিত হবে একটি ফাইনালিস্টের নাম। উত্তর লন্ডনের এমিরেটস মাঠে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় পর্বে মুখোমুখি হচ্ছে আর্সেনাল ও আতলেতিকো মাদ্রিদ। প্রথম পর্বে মাদ্রিদের মেট্রোপলিটানতে ১-১ সমতায় শেষ হওয়ায়, আজকের ম্যাচটি কার্যত অলিখিত ফাইনাল—যে দল জিতবে, তারাই উঠবে চূড়ান্ত লড়াইয়ে।

দীর্ঘ অপেক্ষার ভার নিয়েই মাঠে নামছে দুই দল। আর্সেনাল এর আগে মাত্র একবার ইউরোপের এই আসরের ফাইনালে উঠেছিল, তাও ২০০৬ সালে, কিন্তু শিরোপা জেতা হয়নি। অন্যদিকে আতলেতিকো মাদ্রিদ তিনবার ফাইনালে খেলেও প্রতিবারই রানার্সআপ হয়ে ফিরেছে, সর্বশেষ ফাইনালে উঠেছে তাও এক দশক আগে, ২০১৬ সালে। ফলে দুই দলের লক্ষ্যই এক—অপেক্ষার অবসান ঘটানো।

পরিসংখ্যান ও সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে কিছুটা এগিয়ে আর্সেনাল। নিজেদের মাঠে এর আগে আতলেতিকোকে বড় ব্যবধানে হারানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাদের। কোচ মিকেল আরতেতা-র দল এবারের আসরে স্প্যানিশ প্রতিপক্ষদের বিপক্ষে অপরাজিত থেকেছে, যা তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াচ্ছে।

তবে আতলেতিকো মাদ্রিদ-কে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। কোচ দিয়েগো সিমিওনের অধীনে দলটি সবসময়ই লড়াকু মানসিকতার জন্য পরিচিত। বিশেষ করে তাদের আক্রমণে আছেন হুলিয়ান আলভারেজ, যিনি এবারের আসরে ইতোমধ্যেই দশ গোল করে নজর কেড়েছেন। দলের আক্রমণভাগে তাঁর পারফরম্যান্সই বড় ভরসা।

আর্সেনালের জন্য ইতিবাচক দিক হলো বুকায়ো সাকার ফিরে আসা। চোট কাটিয়ে ফিরে সাম্প্রতিক ম্যাচে গোল করে নিজের ছন্দের জানান দিয়েছেন তিনি। মাঝমাঠে ডেকলান রাইস-এর উপস্থিতি দলের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

রক্ষণভাগেও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে আর্সেনাল। এবারের আসরে ১৩ ম্যাচে মাত্র ছয় গোল হজম করেছে দলটি, যা তাদের প্রতিরক্ষার দৃঢ়তার প্রমাণ। অন্যদিকে আতলেতিকোর জন্য এই রক্ষণ ভাঙা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে ইংলিশ প্রতিপক্ষদের মাঠে তাদের পরাজয়ের ধারাও চিন্তার কারণ।

ম্যাচের সমীকরণ পরিষ্কার—নির্ধারিত সময়ে জয়ী দল সরাসরি ফাইনালে উঠবে। সমতা থাকলে ম্যাচ গড়াবে অতিরিক্ত সময়ে, সেখানেও ফল নির্ধারিত না হলে টাইব্রেকারে নির্ধারিত হবে বিজয়ী।

সবকিছু মিলিয়ে, আজকের ম্যাচটি দুই দলের জন্যই ইতিহাস গড়ার সুযোগ। আর্সেনাল চাইবে দীর্ঘ ২০ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাতে, আর আতলেতিকো মাদ্রিদ খুঁজবে নতুন করে স্বপ্ন পূরণের পথ। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত হাসি কার মুখে ফুটে ওঠে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ভারত-চীনে বিশ্বকাপ সম্প্রচার নিয়ে অনিশ্চয়তা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন