২৪/০২/২০২৬, ২১:৩৮ অপরাহ্ণ
25.1 C
Dhaka
২৪/০২/২০২৬, ২১:৩৮ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের জামিন

সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

আজ বুধবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে সুনামগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক হেমায়েত উদ্দিন জামিন মঞ্জুরের আদেশ দেন।

রায়ে খুশি হয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী আবদুল হামিদ বলেন, ‘অসুস্থতা ও বয়স বিবেচনায় আদালত এম এ মান্নানের জামিন দিয়েছেন। আদালতের রায়ে আমরা খুশি।’

তিনি আরও জানান, এম এ মান্নানকে সুনামগঞ্জের ঘটনায় মামলা দেওয়ার কারণে তিনি ২১ দিন হাজতে ছিলেন। তিনি বয়স্ক মানুষ, নিজে চলাফেরা করতে পারেন না। তিনি মানসিকভাবেও বিপর্যস্ত। অসুস্থতা, কারাবাস, চলাফেরায় অক্ষম ও বয়স বিবেচনায়  আদালত ২০ হাজার টাকা বন্ডে সাবেক এম এ মান্নানের জামিনের আদেশ দেন। আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি। আদালতের এমন রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। আমরা আশা রাখি ভবিষ্যতেও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে।

বাদী পক্ষের আইনজীবী মাসুক আলম বলেন, মঙ্গলবার নিম্ন আদালতে সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের জামিন আবেদন করলে জামিন নামঞ্জুর করেন। পরে ওইদিন বিকেলে সিনিয়র জেলা ও দায়রাজজ জজ মো. হেমায়েত উদ্দিনের আদালতে মিস কেস দাখিল করলে বুধবার মামলার জামিন শুনানি সময় নির্ধারণ করা হয়। শুনানি শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান জামিন পেয়েছেন।

বাদী পক্ষের আইনজীবী আব্দুল হক বলেন, রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবীরা বাদী পক্ষে অবস্থান গ্রহণ না করে আসামি পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেন। এতে আদালতের ন্যায় বিচার বাধাগ্রস্ত হয়। এই মামলায় অস্বাভাবিকভাবে মিস কেস ও তারিখ পড়ে। বাদী পক্ষের আইনজীবীরা জামিন শুনানির জন্য প্রস্তুত ছিলেন না। তাই বাদী পক্ষের আইনজীবীরা জামিন শুনানির বিরোধিতা করেছেন। পরে তুমুল হট্টগোলের মধ্যে আদালত এজলাস ছেড়ে খাস কামরায় চলে যান। আজ আড়াইটায় জামিন শুনানির সময় নির্ধারণ করেন।

উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত এক শিক্ষার্থীর ভাই হাফিজ আলী বাদী হয়ে ৯৯ জনকে আসামি করে সুনামগঞ্জ দ্রুত বিচার আদালতে মামলা করেন। দায়েরকৃত মামলায় এম এ মান্নানকে গত ১৯ সপ্টেম্বের রাতে শান্তিগঞ্জ উপজলোর নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন তাকে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় দ্রুত বিচার আইনে দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন