১৫/০২/২০২৬, ১৭:০৩ অপরাহ্ণ
28 C
Dhaka
১৫/০২/২০২৬, ১৭:০৩ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

স্মার্ট চশমায় ফেসিয়াল রিকগনিশন যুক্ত করবে মেটা

পাঁচ বছর আগে ফেসবুক থেকে ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তি সরিয়ে নিয়েছিল মেটা। গোপনীয়তা ও আইনি উদ্বেগের কথা বলেছিল প্রতিষ্ঠানটি। এবার সেই প্রযুক্তিই ফিরছে। তবে সামাজিক মাধ্যমে নয়, স্মার্ট চশমায়। 

বিজ্ঞাপন

মেটা তাদের স্মার্ট গ্লাসে ফেসিয়াল রিকগনিশন যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে। চলতি বছরেই সুবিধাটি চালু হতে পারে। বিষয়টি জানিয়েছেন পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত চারজন ব্যক্তি।

নতুন ফিচারের অভ্যন্তরীণ নাম ‘নেম ট্যাগ’। এই সুবিধা চালু হলে চশমা পরা ব্যক্তি সামনে থাকা মানুষকে শনাক্ত করতে পারবেন। মেটার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সহকারী সেই ব্যক্তির সম্পর্কে তথ্য দেখাবে।

তবে পরিকল্পনা এখনো চূড়ান্ত নয়। প্রযুক্তিটি নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে—এমন আলোচনা চলছে। গত মে মাসের একটি অভ্যন্তরীণ নথিতে এসব উদ্বেগের উল্লেখ ছিল।

সেই নথি অনুযায়ী, শুরুতে অন্ধদের একটি সম্মেলনে সীমিত পরিসরে ‘নেম ট্যাগ’ চালুর কথা ছিল। পরে সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা ছিল। তবে গত বছর তা আর বাস্তবায়ন হয়নি।

অভ্যন্তরীণ মেমোতে আরও একটি বিতর্কিত মন্তব্য ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অস্থিরতাকে ফিচার চালুর অনুকূল সময় হিসেবে দেখা হয়েছে। নথিতে বলা হয়, রাজনৈতিক অস্থিরতায় সমালোচক সংগঠনগুলোর মনোযোগ অন্যদিকে থাকবে।

ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তি দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্কের কেন্দ্র। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এই প্রযুক্তি নজরদারির ঝুঁকি বাড়ায়। সরকার নাগরিকদের পর্যবেক্ষণে ব্যবহার করতে পারে। করপোরেশনগুলো গ্রাহকদের অজান্তে অনুসরণ করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের কিছু শহর ও অঙ্গরাজ্যে পুলিশের ফেসিয়াল রিকগনিশন ব্যবহারে বিধিনিষেধ রয়েছে। সম্প্রতি ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা অভিবাসন কর্তৃপক্ষকে জনসমক্ষে এই প্রযুক্তি ব্যবহার বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।

মেটা পাঁচ বছর আগে ফেসবুকে ছবি ট্যাগিংয়ের জন্য ব্যবহৃত ফেসিয়াল রিকগনিশন বন্ধ করেছিল। তখন তারা বলেছিল, প্রযুক্তির সুবিধা ও ঝুঁকির মধ্যে ভারসাম্য খুঁজছে।

এখন স্মার্ট চশমার মাধ্যমে প্রযুক্তিটি ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নতুন বিতর্ক তৈরি করতে পারে। 

পড়ুন:৮০ কোটির প্রস্তাব ফেরালেন বিজয়-রাশমিকা

দেখুন:মাদারীপুরে ঘরের তালা ভেঙে বৃদ্ধার ঘরে যা দেখলো পুলিশ

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন