২৫/০২/২০২৬, ২৩:৫২ অপরাহ্ণ
22.4 C
Dhaka
২৫/০২/২০২৬, ২৩:৫২ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

জবিতে এমফিল ডিগ্রি অর্জন করলেন মাদারীপুরে কৃতী সন্তান-ফরিদ উদ্দিন আহমদ

মাদারীপুর জেলার কৃতী সন্তান ফরিদ উদ্দিন আহমদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ থেকে মাস্টার অব ফিলোসফি (এমফিল) ডিগ্রি অর্জন করেছেন।তার অর্জনে এলাকায় বইছে আনন্দের ছোঁয়া।

বিজ্ঞাপন


সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের হোগলপাতিয়া গ্রামের মরহুম হাবিবুর রহমানের সন্তান। তার কৃতিত্বে এলাকায় আনন্দ ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমানে তিনি ঢাকার তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসায় রসায়ন বিভাগের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত।


তিনি ২০২১–২০২২ সেশনে এমফিল প্রোগ্রামে ভর্তি হয়ে সফলভাবে গবেষণা কার্যক্রম সম্পন্ন করেন।তার গবেষণার শিরোনাম ছিল “Synthesis, Biological Activity, Molecular Docking and Dynamics Studies of Methylfuran-Thiazole Derivatives”।
গবেষণা কার্যক্রমে তার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান।
গবেষণাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশক্রমে একাডেমিক কাউন্সিলের ৭৬তম সভায় অনুমোদিত হয় এবং পরবর্তীতে সিন্ডিকেটের ১১০তম সভায় চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করে। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে এমফিল ডিগ্রি প্রদানসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।


তারই সফলতার কথা শুনে এলাকার সকল লোক প্রশংসায় মেতে উঠেছে। তার এই সফলতা শুরু তার না মাদারীপুরের হোগলপাতিয়া গ্রামের সকল মানুষের।


তার এ কৃতিত্বপূর্ণ অর্জনে পরিবার, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সহপাঠী ও শুভানুধ্যায়ীরা আনন্দ ও গর্ব প্রকাশ করেছেন। তিনি গবেষণার মাধ্যমে দেশের বিজ্ঞান ও শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রাখতে আগ্রহী এবং ভবিষ্যতে জৈব রসায়নে পিএইচডি গবেষণায় যুক্ত হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন এবং তিনি সবার দোয়া প্রার্থী।


সফলতা অর্জনকারী ফরিদ উদ্দিন আহমদ বলেন , আমি আপনাদের দোয়া এবং ভালোবাসা এখানে আসতে পেরেছি। তাই আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন। আমি যেন আগামীতে আরো ভালো কিছু করতে পারি।

পড়ুন- নতুন গভর্নর কে এই মোস্তাকুর রহমান?

দেখুন- বৃত্তির হার ঘোষণা করলেন শিক্ষামন্ত্রী

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন