বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সৈয়দপুর শহর শাখার সাবেক নায়েবে আমীর মরহুম আলহাজ্ব মোহাম্মদ তসলিম এর স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সাথে জামায়াতে ইসলামী সৈয়দপুর শহর শাখার ১২ ওয়ার্ডের ইফতার মাহফিলও করা হয়েছে।
আজ সোমবার বিকাল ৫ টায় সিটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে আলোচ্য বিষয় ছিল ‘মাহে রামাদানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য’। এতে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আল-ফারুক একাডেমি ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. সৈয়দ মাসুদ হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন শহর জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা ওয়াজেদ আলী, সৈয়দপুর মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাহিদ সাহাব, সৈয়দপুর প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক শওকত হায়াৎ শাহ।
জামায়াতের ১২ নং ওয়ার্ড সভাপতি হামিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাহফিলে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সৈয়দপুর পৌর কাঁচা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির আহবায়ক ও মরহুম আলহাজ্ব মোহাম্মদ তসলিমের বড় ছেলে তোফায়েল মোহাম্মদ আজম।
সঞ্চালনা করেন মরহুম আলহাজ্ব মোহাম্মদ তসলিমের সন্তান শিক্ষক ও সাংবাদিক সাহাবাজ উদ্দিন সবুজ। দোয়া পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মুফতি সামসুল হক।
উপস্থিত ছিলেন সৈয়দপুর উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য রেজওয়ান হাসান, খায়রুল আনাম, ইসলামী ব্যাংক সৈয়দপুর শাখার ব্যবস্থাপক মো. নজরুল ইসলাম, সৈয়দপুর প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব ও আল ফারুক একাডেমির সহকারি প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম, সৈয়দপুর পৌরসভার প্রধান হিসাব কর্মকর্তা আবু তাহের, দৈনিক আজকের পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি জসিম উদ্দিন, সৈয়দপুর হোমিওপ্যাথিক ডক্টরস এসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. জাবেদ আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ী, শিক্ষক, সাংবাদিকসহ তিন শতাধিক রোজাদার ইফতারে অংশগ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য, মরহুম আলহাজ্ব মোহাম্মদ তসলিম শুধু জামায়াত নেতাই ছিলেন না বরং একজন ইসলামী চিন্তাবিদ, শিক্ষানুরাগী, সংগঠক ও সমাজসেবক ছিলেন। তাঁর হাত ধরেই প্রতিষ্ঠিত হয় সৈয়দপুরের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আল- ফারুক একাডেমি, সৈয়দপুর।
একজন ব্যবসায়ী হয়েও তিনি ছিলেন, ইসলামী সমাজ কল্যাণ ট্রাষ্ট, আনজুমানে নাওজায়ানানে ইসলাম, সৈয়দপুর ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম। তিনবছর পূর্বে তিনি ইনতেকাল করেন।
পড়ুন : নীলফামারীতে জামায়াতে ইসলামী’র মুক্ত আলোচনা ও ইফতার মাহফিল


