বিজ্ঞাপন

কুষ্টিয়ায় রা‌তের আধা‌রে সরকারি তিন দপ্তরে ঢু‌কে কাগজপত্র তছনছ ক‌রল দুই ব্যাক্তি

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপ‌জেলায় সরকারি তিনটি দপ্তরের প্রবেশ দরজার তালা ও জানালার‌ গ্রিল ভে‌ঙে আল‌মিরা ও ড্রয়া‌রে থাকা কাগজপত্র তছন‌ছ ক‌রে‌ছে দুর্বৃত্তরা।

বিজ্ঞাপন

গতকাল রোববার দিবাগত রাত ৩টার দি‌কে উপজেলা ভূমি অফিস, সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয় ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘ‌টে‌ছে। আজ সোমবার সকালে অফিস খুলতে এসে বিষয়টি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নজরে আসে। ত‌বে এঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ কোন নথিপত্র চুরির কোন অভি‌যোগ ক‌রেন‌নি সংশ্লিষ্টরা।

পুলিশ বল‌ছে,সি‌সি‌টি‌ভি ফু‌টে‌জে দু্ইজন ব্যাক্তি উপ‌জেলা চত্ব‌রের ভেত‌রে ঢুক‌লেও তা‌দের‌কে খা‌লি হা‌তেই বের হ‌তে দেখা গে‌ছে। ঘটনার রহস্য উদঘাট‌নে কাজ কর‌ছে পু‌লিশ। ত‌বে পু‌রো উপ‌জেলা চত্বর সি‌সি‌টি‌ভি ক‌্যা‌মেরার আওতাধীন ও স্ব-স্ব দপ্ত‌রে নৈশপ্রহরী থাকার পরও এমন চুরির ঘটনায় হতবাক স্থানীয়রা। পুলিশ ও সং‌শ্লিষ্ট অ‌ফিস সূত্র জানিয়েছে, রা‌তে তিনটি দপ্তরের দরজার তালা ও জানালার গ্রিল ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা। দপ্তরের আলমিরা ও ড্রয়া‌রে থাকা নথিপত্রের ফাইল এলোমেলো অবস্থায় ছিল। সকালে ঘটনাস্থল পুলিশ পরিদর্শন করেছেন। মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ও‌সি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম ব‌লেন,ঘটনার সি‌সি‌টি‌ভি ফু‌টেজ সংগ্রহ ক‌রা হ‌য়ে‌ছে। রাত ৩টার দি‌কে একজন বয়স্ক ও একজন মাঝ বয়সী ব্যাক্তিকে উপ‌জেলা চত্ব‌রের ভেত‌রে ঢুক‌তে দেখা গে‌ছে। এর আধাঘন্টা প‌রে আবার তা‌রা খা‌লি হা‌তে বের হ‌য়ে যান। দরজার তালা ও জানালার গ্রিল ভে‌ঙে দপ্তরগু‌লোর ভেত‌রে ঢু‌কে শুধুমাত্র তারা কাগজপত্র তছনছ ক‌রে চ‌লে গে‌ছে।

নগদ টাকা,ল‌্যাপটপসহ অন‌্যান‌্য দা‌মি জি‌নিসপত্র থাক‌লেও কিছুই নেয়নি। মুখ বাঁধা থাকায় তা‌দের‌কে চেনা যায়‌নি। কি কারণে এঘটনা তা রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ। মিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) নাজমুল ইসলাম বলেন,ঘটনার পর দপ্তর গুলোতে পরিদর্শন করেছি। থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়া হ‌য়ে‌ছে। ঘটনা তদন্তে কাজ করছে পুলিশ। পরবর্তীতে বিস্তারিত জানানো হবে।

পড়ুন- রাজধানীর মিরপুরে বহুতল ভবনে আগুন

দেখুন- জ্বালানি সংকটে শিল্প উৎপাদনে অনিশ্চয়তা 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন