৮ লাখের সরকারী বরাদ্দে মাত্র দেড় লাখে নিন্ম মানের ইট,সুরকী,বালিসহ সামগ্রী দিয়ে কম পরিমাণে ঢালাই দিয়ে দূর্নীতির অভিযোগ করেছেন মসজিদ কমিটির সদস্য ও স্থানীয় মুসুল্লিরা। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের দাউদপুর ইউনিয়নের সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার আলেয়ার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেন তারা। শুধু তাই নয়, রূপগঞ্জ উপজেলা এলজিইডির অধীনস্থ মাঠকর্মী আনিসুর রহমান ইঞ্জিনিয়ার পরিচয়ে ঘটনাস্থলে থেকে মেম্বারের দূর্ণীতিতে সহযোগিতা করেন বলে রয়েছে অভিযোগ ।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের দুয়ারা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে একটি ঈদগাহের মাঠ পাকাকরণে সরকারীভাবে ৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। তবে দাউদপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক ৫ লাখ টাকা বরাদ্দের কথা স্বীকার করেন। মসজিদ কমিটির কোষাধ্যক্ষ সোহরাব মিয়া বলেন, গ্রামবাসীর পক্ষে আমরা ঈদগাহ পাকাকরণে ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার আলেয়ার কাছে একটি বরাদ্দ চাই। পরবর্তীতে তিনি ৮ লাখ টাকা বরাদ্দ নিয়ে ঈদগাহ পাকাকরণের কাজ শুরু করেন। এ সময় মসজিদ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে না জানিয়ে নিন্ম মানের ইট, সুরকী, বালি দিয়ে কাজ শুরু করেন। এ সময় আমরা বাঁধা দিলেও মেম্বার আলেয়া বিধিবহির্ভূতভাবে ৪ ইঞ্চির পরিবর্তে ১/২ ইঞ্চি পুরত্বে ঢালাই দিয়ে চলে যায়৷ তখন উপজেলা থেকে ইঞ্জিনিয়ার পরিচয়ে আনিস নামের এক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন৷ এতে গ্রামবাসী চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
এ বিষয়ে রূপগঞ্জ উপজেলার এলজিইডি ওয়ার্ক এসিস্টেন্ট আনিসুর রহমান বলেন, আমি উপস্থিত ছিলাম কিন্তু কাজের মান দেখা হয়নি। আগলার অন্য একটি কাজ পরিদর্শনের সময় দুয়ারার কাজ দেখেছি। এ সময় নিজেকে ইঞ্জিনিয়ার পরিচয়ের কারন জানতে চাইলে তিনি বলেন, এভাবেই সবাই ডাকে। আমি তো এ বিভাগের লোকই।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত আলেয়া মেম্বার সাংবাদিকদের ছবি ও ভিডিও করতে বাঁধা দিয়ে বলেন, উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার(!) আনিস স্যার সব জানে। ওনি থাকতেই কাজ করছি। সব ফাইল ওনার কাছেই আছে। আপনার ছবি ভিডিও করবেন না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রূপগঞ্জ উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী আখতার হোসেন বলেন, আনিসুর রহমান হলেন ওয়ার্ক এসিস্টেন্ট, তিনি প্রকৌশলী নন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আমি জানলাম, বিষয়টি দেখবো।
পড়ুন- জ্বালানিতে সংকট নেই, দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তও নেই: প্রতিমন্ত্রী


