বিজ্ঞাপন

রিয়ানার বাড়িতে হামলাকারীর পরিচয় প্রকাশ, হতে পারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

গত রোববার মার্কিন পপ তারকা রিয়ানার লস অ্যাঞ্জেলসের বাড়িতে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এলাকায় আতঙ্ক ছড়ালেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এক নারীকে গ্রেপ্তার করে ইতিমধ্যে আদালতে হাজির করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত নারীর নাম ইভানা লিসেট অর্টিজ (৩৫)। তিনি ফ্লোরিডার অরল্যান্ডোর বাসিন্দা। ৮ মার্চ (রোববার) স্থানীয় সময় বেলা ১টা ১৫ মিনিটের দিকে ক্যালিফোর্নিয়ার বেভারলি হিলস এলাকায় রিয়ানার বাড়ির সামনে এসে একটি এআর-১৫ স্টাইলের সেমি-অটোমেটিক রাইফেল থেকে কয়েকটি গুলি চালান। বাইরে থেকে ছোড়া কয়েকটি গুলি বাড়ির দেয়াল ভেদ করে ভেতরেও প্রবেশ করে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঘটনার সময় রিয়ানা বাড়িতে ছিলেন বলে কয়েকটি গণমাধ্যম জানিয়েছে। তবে এ ঘটনায় কেউ আহত হননি এবং রিয়ানা ও তাঁর সন্তানেরা নিরাপদে আছেন বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
গুলি চালানোর পর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান অর্টিজ। পরে তাঁর সাদা টেসলা গাড়িটি রিয়ানার বাড়ি থেকে প্রায় আট মাইল দূরে শেরম্যান ওকস গ্যালারিয়া শপিং সেন্টারের কাছে পাওয়া যায়। সেখান থেকেই তাঁকে আটক করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি অ্যাসল্ট রাইফেলের কেসও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

ঘটনার দুই দিন পর, মঙ্গলবার (১০ মার্চ) অর্টিজকে লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি ফৌজদারি আদালতে হাজির করা হয়। আদালত মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছে ২৫ মার্চ।
অর্টিজের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টাসহ সেমি-অটোমেটিক অস্ত্র দিয়ে হামলার ১০টি অভিযোগ এবং বসতবাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালানোর একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।
তদন্তে পুলিশ অভিযুক্ত নারীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রিয়ানাকে উল্লেখ করে কয়েকটি পোস্টও পেয়েছে। একটি পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ‘তুমি কি সেখানে আছ?…লুকিয়ে কথা বলার বদলে সরাসরি আমার সঙ্গে কথা বলো।’
ঘটনার পর রিয়ানার বাসভবনের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে।

পড়ুন- স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি: সালাহউদ্দিন আহমদ

দেখুন- ক্ষমতায় বসেই পিতৃ হ/ত্যা/র প্রতিশোধ নেওয়া শুরু মোজতবার? 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন