বলিউডের সিনেমায় অতিরিক্ত রক্তারক্তি, হিংসা কিংবা নারীবিদ্বেষের উপস্থিতি বেশি লক্ষ করা গেছে। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ ও প্রশ্ন তুলেছেন অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান।
তার মতে, গত তিন বছরে বড় পর্দায় ‘লার্জার দ্যান লাইফ’ নায়কের দাপট-অ্যাকশননির্ভর সিনেমার দিকেই দর্শকদের ঝোঁক বেশি দেখা গেছে।অতিরিক্ত হিংসা ও রক্তপাত দেখানোর প্রবণতায় বলিউড তার নিজস্ব পরিচয় হারাচ্ছে।
ভারতীয় সিনেমায় ‘অ্যাংরি ইয়ং ম্যান’-এর ধারণা অবশ্য নতুন নয়। এই ধারার সূচনা হয়েছিল অমিতাভ বাচ্চনের হাত ধরে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বলিউডের বিভিন্ন প্রজন্মের নায়করা সেই ধারা এগিয়ে নিয়েছেন। তবে ২০২৩ সাল থেকে ধীরে ধীরে হিন্দি সিনেমায় ‘আলফা মেল’ প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। শাহরুখ খান অভিনীত ‘পাঠান’ ও ‘জওয়ান’, সানি দেওলের ‘গদর ২’ কিংবা রণবীর কাপুর অভিনীত ‘অ্যানিমেল’ সিনেমাগুলো তীব্র অ্যাকশন ও তারকাখ্যাতির জোরে বক্স অফিসে বড় সাফল্য পেয়েছিল।
২০২৪ ও ২০২৫ সালেও একাধিক অ্যাকশনধর্মী সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। বর্তমানে সেই ধারা বজায় রেখেছেন রণবীর সিং অভিনীত ‘ধুরন্ধর’ সিনেমায়। পাশাপাশি শাহিদ কাপুর কেও ‘ও রোমিও’ সিনেমাতে দেখা গেছে এক ভয়ংকর অবতারে। ফলে গত কয়েক বছরে বড় পর্দায় শক্তিশালী নায়ককেন্দ্রিক অ্যাকশননির্ভর গল্পের দিকেই দর্শকদের ঝোঁক বেশি লক্ষ্য করা গেছে। এই প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে মুখ খুলেছেন করিনা কাপুর।
করিনা বলেন, ‘এখনকার সিনেমায় ছোট ছোট আবেগঘন বা প্রেমের মুহূর্ত প্রায় নেই বললেই চলে। একসময় মূলধারার বলিউড সিনেমা বলতে যে ধরনের সিনেমা বোঝানো হতো, এখনকার সিনেমা তার থেকে অনেকটাই আলাদা। গল্প বলার ধরনেও বদল এসেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বলিউডে আগে প্রেম, গান ও আনন্দের মিশেলে সিনেমা তৈরি হতো। এখন সেখানে প্রাধান্য পাচ্ছে রক্তপাত ও অ্যাকশন। অথচ হিন্দি সিনেমাকে দর্শক সবসময়ই প্রাণবন্ত ও রঙিন বলেই চিনেছে।
পড়ুন:রিয়ানার বাড়িতে হামলাকারীর পরিচয় প্রকাশ, হতে পারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
দেখুন:মাদারীপুরে ছাত্র আন্দোলনে শহীদ পরিবারে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
ইমি/


