বিজ্ঞাপন

জকসুর ক্রীড়া সম্পাদককে থাপ্পড় মারা অভিযুক্ত নেলী বহিষ্কার

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) অষ্টম ইন্ডোর গেমসের ক্যারাম টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে ক্রীড়া সম্পাদককে থাপ্পড় দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিজ্ঞাপন

আজ (৩ মে) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয় নিশ্চিত করেন।
গত (২৯ এপ্রিল) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সাজিদ একাডেমিক ভবনের নিচতলায় ক্যারাম ইভেন্টের ফাইনাল খেলা চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জকসুর ক্রীড়া সম্পাদক জর্জিস আনোয়ার নাঈমের সঙ্গে খেলোয়াড় সাদিয়া সুলতানা নেলীর বাকবিতণ্ডা হয় এবং একপর্যায়ে নেলী তাকে থাপ্পড় দেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফাইনাল খেলায় নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ ওঠাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়। এ সময় নেলী ও ক্রীড়া সম্পাদকের মধ্যে তর্ক শুরু হলে পরিস্থিতি হাতাহাতির দিকে গড়ায়। পরে উপস্থিত অন্যরা তাদের সরিয়ে নেন।

ঘটনার পর সাদিয়া সুলতানা নেলী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টে থাপ্পড় দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। একইসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, খেলায় স্বজনপ্রীতি করা হয়েছে এবং ক্রীড়া সম্পাদক পক্ষপাতিত্ব করেছেন।

নেলীর দাবি, ডুয়েল গেমসে একই বিভাগের দুই খেলোয়াড় থাকার নিয়ম থাকলেও প্রতিপক্ষ দল তা মানেনি। বিষয়টি জানানো হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গৌতম কুমার অভিযুক্ত দলকে বহিষ্কার করে তাদের দলকে বিজয়ী ঘোষণা করেন। তবে ক্রীড়া সম্পাদক সেই সিদ্ধান্ত মানেননি এবং অভিযুক্তদের পক্ষ নেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এদিকে ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে সাদিয়া সুলতানা নেলীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য বলেন, ক্যাম্পাসে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের আচরণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে। অপরাধী যেই হোক না কেন তাকে অবশ্যই শাস্তির আওতায় আসতে হবে।

উল্লেখ্য,জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজিত অষ্টম ইন্ডোর গেমস প্রতিযোগিতার ক্যারাম অংশের ফাইনালে এই ঘটনা ঘটে।

পড়ুন:নেত্রকোনায় পুলিশের অভিযানে ২১ বস্তা চোরাই জিরা জব্দ, আটক যু্বক

দেখুন:ইস্তাম্বুল: সোশ্যাল মিডিয়ার ছবির মতোই জাদুকরী? | 

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন