কক্সবাজারের পর্যটন নগরীতে খাবারের বৈচিত্র্য সব সময়ই আলোচনায় থাকে। সেই ধারায় নতুন সংযোজন “ঝিনুক’। নিজস্ব বৈশিষ্ট্য দিয়ে আলাদা করে শুরুতেই বেশ নজর কেড়েছে রেস্টুরেন্টটি।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে “ঝিনুক”। কলাতলীর মোড়ে অবস্থানের কারণে পর্যটক ও স্থানীয়দের জন্য এটি সহজে পৌঁছানোর মতো একটি গন্তব্য। তবে শুধু অবস্থান নয়, খাবারের বৈচিত্র্য ও পরিবেশনার ধরণেই নিজেদের আলাদা পরিচয় গড়ে তুলতে চায় ‘ঝিনুক’।
রেস্টুরেন্টটির অন্যতম আকর্ষণ ওপেন কিচেন। এখানে অতিথিরা সরাসরি দেখতে পারবেন খাবার তৈরির পুরো প্রক্রিয়া। এটি স্বচ্ছতা ও আস্থার এক নতুন অভিজ্ঞতা এনে দিবে সকলকে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানের একজন শেফের তত্ত্বাবধানে রান্না হওয়ায় খাবারের মান ও স্বাদে রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব।
মেন্যুতে প্রাধান্য পেয়েছে বাংলা খাবার। বিশেষ করে ইলিশ পাতুরি ও কোরাল পাতুরির মতো ভিন্ন ধারার পদের খাবার ঘিরেই আগ্রহ বেশি। সামুদ্রিক মাছের তাজা স্বাদ ধরে রেখে বিভিন্ন পদের খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক খাবারও রয়েছে, যা কক্সবাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
রেস্টুরেন্টটির আরেকটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ হলো সপ্তাহে দুই দিন ‘মেজবানী’। খাবারের আয়োজন। চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী এই খাবার সাধারণত বিশেষ অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হয়। সেটিকে নিয়মিত মেন্যুর অংশ করে ‘ঝিনুক’ স্থানীয় সংস্কৃতিকে আরও বিস্তৃত পরিসরে তুলে ধরতে চায়।
সকালের খাবারেও রাখা হয়েছে আলাদা চমক। ব্রেকফাস্ট মেন্যুতে রয়েছে নলা ও খাসির পায়াসহ হরেক রকমের খাবারের সমাহার। পাশাপাশি নিয়মিত লাঞ্চ ও ডিনারের ব্যবস্থাও রয়েছে। ফলে দিনভর খাবারের পূর্ণাঙ্গ অভিজ্ঞতা পাওয়া যাবে এখানে।
উদ্বোধনের দিন থেকেই ‘ঝিনুক’ নিয়ে আগ্রহ দেখা গেছে স্থানীয়দের মধ্যে। নতুন স্বাদ, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং ভিন্নধর্মী উপস্থাপনার কারণে এটি পর্যটকদের কাছেও দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পড়ুন:সাপ্তাহিক সময় ও কথার আয়োজনে আলোচনা ও ইফতার মাহফিল
দেখুন:ঝাড়ফুঁকের নামে ৪৩ বছর ধরে প্রতারণা করেন তিনি |
ইমি/


