বিজ্ঞাপন

ত্রিশালে অপহৃত কলেজছাত্রী উদ্ধার, মূল আসামি মবিন র‍্যাবের জালে

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা থেকে অপহৃত এক কলেজছাত্রীকে উদ্ধার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-১৪)। এ সময় অপহরণ মামলার প্রধান আসামি মো. মবিন মিয়াকে (২০) গ্রেফতার করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুর সোয়া ১টায় র‌্যাব-১৪ এর অধিনায়কের পক্ষে মিডিয়া অফিসার (সিনিয়র সহকারী পরিচালক) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গতকাল বুধবার গভীর রাতে জেলার তারাকান্দা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার ও আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।

র‍্যাব জানায়, ভিকটিম স্থানীয় একটি কলেজের ছাত্রী। কলেজে যাওয়া-আসার পথে ত্রিশালের মবিন মিয়া বিয়ের প্রলোভন ও প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে তাকে নিয়মিত উত্ত্যক্ত করত। বিষয়টি জানতে পেরে ভিকটিমের মা মবিনের পরিবারের সদস্যদের কাছে অভিযোগ করেন। এতে মবিন আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং ওই কলেজছাত্রীকে অপহরণের হুমকি দেয়।

হুমকির রেশ ধরে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৯টার দিকে ভিকটিম তার বসতবাড়ি সংলগ্ন একটি দোকানে সদাই আনতে যায়। এ সময় ত্রিশাল বাজারগামী পাকা রাস্তার ওপর পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা মবিন মিয়া তার সহযোগীদের নিয়ে ওই ছাত্রীর গতিরোধ করে। এরপর জোরপূর্বক তাকে একটি অজ্ঞাতনামা হাইস (মাইক্রোবাস) গাড়িতে তুলে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

ঘটনার পর ভিকটিমের মা বাদী হয়ে গত ১৬ মার্চ ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলা রুজু হওয়ার পরপরই ময়মনসিংহ র‍্যাব-১৪ এর ক্রাইম প্রিভেনশন স্পেশাল কোম্পানি (সিপিএসসি) ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং ভুক্তভোগী উদ্ধারসহ আসামিদের গ্রেফতারে তৎপরতা চালায়।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার (১৮ মার্চ) রাত ২টা ৫ মিনিটে র‍্যাব-১৪ এর একটি আভিযানিক দল ময়মনসিংহের তারাকান্দা থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অপহৃত কলেজছাত্রীকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয় এবং অপহরণের মূল হোতা মবিন মিয়াকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র‍্যাব।

র‍্যাব-১৪ এর মিডিয়া অফিসার জানান, উদ্ধারকৃত ভুক্তভোগীকে নিরাপদ হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের ত্রিশাল থানার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার (আইও) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পড়ুন: খুলনায় একই পরিবারের ৪ জনকে গুলি, ২ জনকে ঢাকায় প্রেরণ

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন