“হাজং সম্প্রদায় অনগ্রসর থেকে অগ্রসর সম্প্রদায়ে পরিণত হোক। সেটির জন্য আমরা প্রত্যেকেই একসাথে কাজ করবো,” বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার এবং নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
রবিবার (২২ মার্চ ) সন্ধ্যায় নেত্রকোনার কলমাকান্দায় গোপালবাড়ী মিশন স্কুল মাঠে আয়োজিত ‘২য় জাতীয় হাজং ছাত্র সম্মেলন ও কাউন্সিল ২০২৬’ এ বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।
হাজং স্টুডেন্ট কাউন্সিল আয়োজিত এবারের সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল- “সুসংগঠিত ছাত্রসমাজই হাজং জাতির শক্তি”। অনুষ্ঠানে অসংখ্য শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে ডেপুটি স্পিকার বলেন, যারা পড়াশোনা করছে তারা যেন স্বনির্ভর হতে পারে, সেজন্য একসাথে কাজ করা হবে।
হাজং সম্প্রদায়ের প্রতি নিজের ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা ও ভালোবাসার কথা তুলে ধরে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে কমবেশি করার চেষ্টা করেছি। লেঙ্গুরা ইউনিয়নের বিমলা হাজং, তার ঘরটা ছিল না, আমরা একটা ঘর করে দিয়েছি। কুল্লাগড়া ইউনিয়নের কৃষ্ণ হাজং, তার কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করে দিয়েছি। রংছাতি ইউনিয়নের অর্ণিকা হাজং, তার চিকিৎসা করিয়েছি।”
প্রতিশ্রুতি দেন, ভবিষ্যতেও তিনি সবসময় হাজং সম্প্রদায়ের পাশে থাকার চেষ্টা করবেন।
তিনি আয়োজকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ভবিষ্যতে যেকোনো সাংস্কৃতিক বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানের তারিখ নির্ধারণের আগে যেন তার সাথে যোগাযোগ করা হয়, যাতে তিনি সর্বতোভাবে তাদের পাশে থাকতে পারেন।
এছাড়াও, নতুন নেতৃত্বের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে তিনি বলেন, “আগামী দিনে যেন হাজং সম্প্রদায়ের অধিকার আদায়ের জন্য তারা কাজ করেন।”
নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রতি নিজের আন্তরিকতা প্রকাশ করতে গিয়ে মজার ছলে তিনি জানান, এবার আনুষ্ঠানিকভাবে আগে থেকে দাওয়াত না পেলেও কাউন্সিলিংয়ের খবর পেয়ে তিনি অটোতে চড়ে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ছুটে এসেছেন।
সভাপতিত্ব করেন, আহ্বায়ক হাজং স্টুডেন্ট কাউন্সিলের আহ্বায়ক তপন হাজং এবং পরিচালনা ছিলেন, সদস্য সচিব নাঈম হাজং।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

