বিজ্ঞাপন

বাগেরহাটে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট, যান-চালকদের হাহাকার

বাগেরহাটে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এক লিটার তেলের জন্য এক ফিলিং স্টেশন থেকে অন্য ফিলিং স্টেশনে দৌড়ে বেড়াচ্ছে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন চালিত যানবাহন চালকেরা। বাগেরহাটের অধিকাংশ ফিলিং স্টেশন গুলোতে তেল না থাকায় যেন হাহাকার পড়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে দেশে যথেষ্ট পরিমাণ তেল মজুদের তথ্য দেওয়া হলেও, বাস্তবে মিলছে ভিন্ন চিত্র । এদিকে পাম্পে এসে তেল না পেয়ে ফিলিং স্টেশন মালিকদের প্রতি ক্ষোভ ঝাড়ছেন চালকেরা।

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ভাগা এলাকার মেসার্স কামাল ফিলিং স্টেশনে এসে তেল না পাওয়া একজন মোটরসাইকেল চালক বলেন, এই পাম্পে সকালে তেল এসেছে, গোপনে খোলা বাজারের ব্যবসায়ীদের নিকট বেশি দামে তেল বিক্রি করার উদ্দেশ্যে তেলের কৃত্রিম সংকট দেখানো হচ্ছে। যেখানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তেল মজুরের খবর সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হচ্ছে, সেখানে এ সকল ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ বলছে তেল নেই। অতিরিক্ত মুনাফা লাভের আশায় কৃত্রিম সংকট দেখাচ্ছে।

সম্প্রতি বাগেরহাট শহরের খানজাহান আলী ফিলিং স্টেশনে তেল নেওয়া কে কেন্দ্র করে পাম্প ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে।

জেলার অধিকাংশ পাম্পে তেলের সংকট দেখা দেওয়ায় চরম দুর্ভোগকে পড়েছেন দূরপাল্লার যাত্রীগণ। অধিকাংশ পাম্পে তেল না থাকায় পড়তে হচ্ছে বিপাকে। অপরদিকে দু একটি পাম্পে তেল মিললেও, মিলছে না ২০০ টাকার বেশি । প্রাইভেট কার, মাইক্রো ও মোটরসাইকেল যোগে দূরপাল্লার যাত্রীরা পড়ছেন ভোগান্তিতে।

তবে পাম্প কর্তৃপক্ষ বলছেন, চাহিদা মতো তেল সরবরাহ না করায় অধিকাংশ ফিলিং স্টেশন বন্ধ রয়েছে। ডিপো থেকে কয়েকটি স্টেশনে পেট্রোল অকটেন ও ডিজেল সরবরাহ করলেও, তা পরিমানে খুবই কম।

এছাড়া, তবে ঈদের ছুটিতে ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ডিপো থেকে তেল আনা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানায় ফফিরহাট উপজেলার লকপুর এলাকার খানজাহান আলী ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ। পাম্পটির ম্যানেজার বলেন, ঈদের ছুটিতে ব্যাংক বন্ধ থাকায় পে অর্ডার করা যাচ্ছে না। স্টকে থাকা তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় পুনরায় অর্ডার দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ছুটি শেষে ব্যাংক খুললেই, এই সমস্যার অচিরেই সমাধান হবে।

তবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : স্বপ্ন পূরণে হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে করলেন প্রবাসী

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন