সারা দেশের মতো বর্ণিল উৎসবের মধ্য দিয়ে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরেও উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ। ঢাকের তালে তালে, রঙিন সাজে আর ঐতিহ্যের আবহে মুখর হয়ে ওঠে গ্রামীণ জনপদ সীমান্তবর্তী চিনাকান্দি বাজারের জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এড. মামুনুর রশীদ কয়েসের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শিশুদের অংশগ্রহণে উৎসবের আমেজ আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। লাল-সাদা শাড়ি, পাঞ্জাবি ও রঙিন পোশাকে সেজে শিশু থেকে শুরু করে নানা বয়সী মানুষ মেতে ওঠেন নববর্ষের আনন্দে। হাসি-উচ্ছ্বাসে ভরে ওঠে পুরো এলাকা, যা ফুটিয়ে তোলে গ্রামবাংলার চিরচেনা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য।
নববর্ষের সকালে আয়োজন করা হয় ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবার পান্তা-ভাতের। গ্রামবাসী, শিশু ও অভিভাবকরা একসাথে বসে পান্তা-ভাতসহ দেশীয় নানা খাবার উপভোগ করেন। এতে সৃষ্টি হয় সম্প্রীতি, ভালোবাসা ও পারস্পরিক বন্ধনের এক অনন্য পরিবেশ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সুনামগঞ্জ-৪ আসনের বিএনপির মনোনীত এমপি অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুল, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ কয়েস, আব্দুস সাত্তার, জাহিদ হাসান, ফরহাদ হাসান, ফুরকান আহম্মেদ, গোলাপ রায়হানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। বক্তারা বলেন, ডিজিটাল যুগে শিশুদের সংস্কৃতি চর্চা কিছুটা কমে গেলেও এমন আয়োজন তাদেরকে শিকড়ের সঙ্গে যুক্ত করছে। তারা আরও বলেন, বাংলা নববর্ষ শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির ঐতিহ্য, সম্প্রীতি ও সংস্কৃতির প্রতীক। স্থানীয়দের মতে, এমন আয়োজন নতুন প্রজন্মকে দেশীয় সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহী করে তুলবে এবং সামাজিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে। শেষে আনন্দ, ঐতিহ্য আর সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে সম্পন্ন হয় বাংলা নববর্ষের এই বর্ণিল আয়োজন।
পড়ুন : হাইকোর্টের আদেশে যাদুকাটা নদীর দুই ইজারাদার পেলেন অতিরিক্ত ৫ মাস সময়


