বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসি)-এর অধীনে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। নির্ধারিত পরীক্ষার তারিখের আগে হাইকোর্টে দায়ের করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এনটিআরসি ২০২৬ সালের জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এই নিয়োগের মাধ্যমে প্রায় ১২ হাজারের বেশি শূন্য পদে প্রার্থী নিয়োগের পরিকল্পনা ছিল এবং পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৮ এপ্রিল।
তবে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা ও প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে কয়েকজন প্রার্থী হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। রিটে নিয়োগ প্রক্রিয়ার কিছু ধারা ও শর্ত চ্যালেঞ্জ করা হয়। এ প্রেক্ষিতে আদালত বিষয়টি শুনানির জন্য গ্রহণ করে এবং প্রাথমিকভাবে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিতের নির্দেশ দেয় বলে জানা গেছে।
ফলে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে কি না, তা নিয়ে প্রার্থীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা চলছে—আদালতের পরবর্তী নির্দেশনার ওপরই নির্ভর করছে পরীক্ষার ভবিষ্যৎ।
এদিকে এনটিআরসি সূত্র বলছে, আদালতের আদেশের কপি হাতে পাওয়ার পর আইনগত পরামর্শ নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে নতুন সময়সূচি ঘোষণা করা হতে পারে।
শিক্ষাঙ্গনের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই নিয়োগ কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে প্রত্যাশিত হওয়ায় স্থগিতাদেশে প্রার্থীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। দ্রুত আইনি জটিলতা নিষ্পত্তি করে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ায় নিয়োগ সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
পড়ুন : দেশের ৭২ শতাংশ ঘরে স্মার্টফোন, ৫৫.১ শতাংশ ঘরে ইন্টারনেট: বিবিএস


