বিজ্ঞাপন

অফিসিয়াল অনুমোদন পেল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় মাল্টিমিডিয়া ইউনিট

দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও নানা প্রক্রিয়া শেষে অবশেষে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় মাল্টিমিডিয়া ইউনিট। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ইউনিটটির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সংগঠন পরিচালনা, নীতিমালা এবং কার্যনির্বাহী কমিটিকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এই অনুমোদনের মাধ্যমে ক্যাম্পাসভিত্তিক সাংবাদিকতায় একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো যুক্ত হলো, যা শিক্ষার্থীদের জন্য খুলে দিচ্ছে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার। তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক মিডিয়া চর্চায় শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্র হিসেবেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন বলেন,
“সত্য, বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চার জন্য একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম অত্যন্ত প্রয়োজন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় মাল্টিমিডিয়া ইউনিট সেই প্রয়োজন পূরণে ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে, মাল্টিমিডিয়ার এই নতুন ধারার সাংবাদিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। আমরা চাই, এখান থেকে ভবিষ্যতের দক্ষ ও নীতিনিষ্ঠ সাংবাদিক তৈরি হোক।”

আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন পাওয়ায় মাল্টিমিডিয়া ইউনিটের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি মোঃ মেহেদী হাসান কাওসার বলেন “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় মাল্টিমিডিয়া ইউনিট এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিবন্ধিত সাংবাদিক সংগঠন। আমরা এখানে শুধু সাংবাদিকতা করতেই এসেছি। অনেক পরিশ্রমের পর আমাদের এই অর্জন। আমরা নতুন কিছু করার প্রত্যয় নিয়েই যাত্রা শুরু করেছিলাম। নিজেদের কাজের মাধ্যমে আমরা জগন্নাথের সকল সাধারণ শিক্ষার্থীদের আস্থা অর্জন করতে পেরেছি এটাই বড় প্রাপ্তি।” সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিনহাজুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন,
“জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় মাল্টিমিডিয়া ইউনিট প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বস্তুনিষ্ঠ, সত্য ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা করে আসছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো আন্দোলন-সংগ্রামে মাল্টিমিডিয়া ইউনিট একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে কাজ করেছে। ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে মাল্টিমিডিয়া ইউনিট গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। এই অগ্রযাত্রায় আমাদের প্রধান শক্তি সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আশা করছি, আমাদের হাত ধরেই নতুন ধারার সাংবাদিকতার একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।”

(ভারপ্রাপ্ত) রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোঃ শেখ গিয়াস উদ্দীন স্বাক্ষরিত অনুমোদনপত্রে আরও বলা হয়, নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করে ইউনিটটির কার্যক্রম পরিচালিত হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করবে।

উল্লেখ্য দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের দাবি ও আগ্রহের প্রেক্ষিতে মাল্টিমিডিয়া ইউনিটের এই নতুন যাত্রায় শিক্ষার্থীদের মাঝে আনন্দ উৎসাহের সৃষ্টি হয়েছে। তারা মনে করছেন, এটি শুধু একটি সংগঠন নয়—বরং সত্যভিত্তিক, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।এটি ক্যাম্পাস সাংবাদিকতায় নতুন মানদণ্ড স্থাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ভবিষ্যতে এই ইউনিট থেকেই উঠে আসবে দেশের আগামী দিনের দক্ষ, নীতিবান ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যমকর্মী।

পড়ুন:জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় বাংলাদেশের

দেখুন:আগুনে যেসব ক্ষতি হলো পিজি হাসপাতালের | 

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন