বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধটি পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দিল্লিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন রণধীর জয়সওয়াল।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের চলমান বিচারিক ও আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে পাঠানো অনুরোধটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।। তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের বিচারিক ও আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে অনুরোধটি খতিয়ে দেখছি।’
গত ৮ এপ্রিল নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে আলোচনার সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এই প্রত্যর্পণের অনুরোধটি জানান। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে।
রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবপক্ষের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে আলোচনা চালিয়ে যাব| প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপন করার পর এটিই ছিল এ বিষয়ে ভারতের প্রথম মন্তব্য।
অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা অনুমোদনের জন্য বাংলাদেশ সংসদে গৃহীত উদ্যোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের সব ঘটনাপ্রবাহ খুব নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।’
জয়সওয়াল উল্লেখ করেন, সম্প্রতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করতে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার ব্যাপারে দেশটির আকাঙ্ক্ষা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
তিনি বলেন, উভয় পক্ষ বর্তমান দ্বিপাক্ষিক ব্যবস্থার মাধ্যমে দুই দেশের অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করার প্রস্তাবগুলো খতিয়ে দেখতে সম্মত হয়েছে।
সূত্র: এএনআই
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

