বিজ্ঞাপন

মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে কলমাকান্দায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নে উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হলো ‘নেওয়াজ সজীব খান সেলিম আট দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’ এর চূড়ান্ত আসর। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে স্থানীয় মূলগাঁও ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনালে চারুলিয়া একাদশকে ২-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে বড়সালেঙ্গা একাদশ।

স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে এ টুর্নামেন্টকে ঘিরে শুরু থেকেই ছিল ব্যাপক উদ্দীপনা। শুক্রবার ছুটির দিনের বিকেলে ফাইনাল ম্যাচটি উপভোগ করতে মূলগাঁও মাঠে হাজারো দর্শকের ঢল নামে। কানায় কানায় পূর্ণ মাঠের চারপাশে ছিল উৎসবের আমেজ। রেফারির বাঁশি বাজার পর থেকেই উভয় দলের খেলোয়াড়রা আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণে দর্শকদের মাতিয়ে রাখেন। পুরো ম্যাচেই ছিল তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। তবে শেষ পর্যন্ত নিজেদের আক্রমণাত্মক কৌশল ও দারুণ পারফরম্যান্সের জোরে চারুলিয়া একাদশকে ২-০ গোলে পরাস্ত করে শিরোপা নিজেদের ঘরে তুলে নেয় বড়সালেঙ্গা একাদশ।

আয়োজক কমিটি সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় তরুণদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগানো এ টুর্নামেন্টে আটটি দল অংশগ্রহণ করেছিল। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই ছিল টানটান উত্তেজনা। ফাইনাল খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ী ও বিজিত দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। চ্যাম্পিয়ন বড়সালেঙ্গা একাদশকে প্রথম পুরস্কার হিসেবে একটি ২৪ ইঞ্চি রঙিন এলইডি টিভি এবং রানার্সআপ চারুলিয়া একাদশকে আকর্ষণীয় ট্রফি প্রদান করা হয়।

তরুণ সমাজকে বিপথগামিতা থেকে রক্ষায় এমন আয়োজনের গুরুত্ব তুলে ধরে টুর্নামেন্টের আয়োজক ও সভাপতি নেওয়াজ সজীব খান সেলিম বলেন, “যুব সমাজকে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তোলা এবং একটি সুস্থ, সুন্দর ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যেই আমাদের আয়োজন। দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও তরুণদের উচ্ছ্বাস আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। ভবিষ্যতেও ক্রীড়াক্ষেত্রে আমাদের এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।”

টুর্নামেন্টের বিভিন্ন পর্যায়ে উপস্থিত থেকে খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ খায়ের, সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ আর নাজিম, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম খোকন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. জহিরুল ইসলাম জহির এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন আজাদ আয়নাল প্রমুখ।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, তথ্যপ্রযুক্তির যুগে যুবসমাজকে মাঠে ফিরিয়ে আনার এমন আয়োজন নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। এ ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি এলাকার মানুষের মধ্যে সামাজিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : মিরসরাইয়ে সালিশ বৈঠকেই প্রাণ গেল শফিউলের

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন