বিজ্ঞাপন

নাগরিক টিভির সংবাদ প্রকাশের পর অসহায় পারভিনের পাশে সংসদ সদস্য ও ইউএনও

নাগরিক টিভিতে সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে ভাগ্যের চাকা ঘুরতে শুরু করেছে কিশোরগঞ্জের দানাপাটুলি ইউনিয়নের সেই অসহায় পারভিন বেগমের। জরাজীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করা পারভিনের দুঃখ-দুর্দশা নিয়ে প্রতিবেদন প্রচারের পর,

আজ ১৮ এপ্রিল বিকালে তার বাড়িতে সরাসরি ছুটে গিয়েছেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম, এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। তারা পারভিনকে নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী দিয়েছেন এবং সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

কিশোরগঞ্জের দানাপাটুলি ইউনিয়নের এই সেই পারভিন বেগম, যার জীবন কাটছিল চরম অভাব আর অবহেলায়। থাকার মতো ছিল না শক্ত কোনো ঘর, জোটছিল না দুবেলা ঠিকমতো খাবার। নাগরিক টিভিতে এই মানবিক সংবাদটি প্রচারের পরপরই তা নজরে আসে স্থানীয় প্রশাসনের ও জনপ্রতিনিধির।

এরই প্রেক্ষিতে আজ পারভিন বেগমের জীর্ণ কুটিরে উপস্থিত হন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম, সাথে ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। তারা সরেজমিনে পারভিনের থাকার ঘর ও জীবনযাত্রার মান দেখেন এবং তার সাথে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন।

সংসদ সদস্য বলেন আমরা নাগরিক টিভির মাধ্যমে পারভিনের কষ্টের কথা জানতে পেরেছি। সরকারের পক্ষ থেকে আমরা তার ঘর নির্মাণ এবং স্থায়ীভাবে জীবিকা নির্বাহের জন্য যা যা প্রয়োজন, তার দ্রুত ব্যবস্থা করছি। কেউ গৃহহীন বা অনাহারে থাকবে না—এটাই আমাদের অঙ্গীকার।

মানবিক এই প্রতিবেদনটি দেখার পর আমরা তাৎক্ষণিকভাবে এখানে এসেছি। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তাকে মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দেওয়া হবে এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আনা হবে।

দীর্ঘদিন পর সাহায্যের আশ্বাস পেয়ে আবেগাপ্লুত পারভিন বেগম। নাগরিক টিভি, সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি আশা করছেন, এবার হয়তো তার বাকি জীবনটা একটু শান্তিতে কাটবে।

আমি কখনো ভাবি নাই আমার ঘরে বড় বড় অফিসার আর এমপি সাব আসব। নাগরিক টিভি আমার কথা সবার কাছে পৌঁছায়া দিছে, আমি খুব খুশি।

জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের এমন দ্রুত পদক্ষেপে এলাকাবাসীও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। পারভিনের মতো সমাজের অবহেলিত মানুষের পাশে এভাবেই গণমাধ্যম ও প্রশাসন যৌথভাবে দাঁড়াবে—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : কেঁদে কেঁদে শ্রমিকদল নেতার বিচার চাইলেন বিএনপি নেতা!

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন