হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় ‘বালু কেকো’ নামে পরিচিত সেলিম আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ বালু উত্তোলন ও ব্যবসা অব্যাহত রাখার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তিনি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রি করে আসছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেলিম আহমেদ একসময় পুলিশ ও র্যাবে কর্মরত ছিলেন। সেই সূত্রে তিনি এলাকায় বেশ প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগের শাসনামলে তার যে প্রভাব-প্রতিপত্তি ছিল, এখনো তা বহাল রয়েছে এবং তিনি সেই প্রভাব ব্যবহার করে তার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, সেলিম আহমেদ নিজেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত দাবি করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার এবং হুমকি দিচ্ছেন।
ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়—
শুনেন, আমি বলি—আমার কথা শেষ করি। আমার সঙ্গে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত—এমন কোনো দল নাই যার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল না বা এখনো নাই। ওই দল আওয়ামী লীগ আর বিএনপি কী? আমি আগে যেমন চলতাম, এখনো তেমনই চলি। আমার দিন আল্লাহ যেভাবে চালাইতেছেন, সেভাবেই চলতেছে এবং চলবেও।
ভিডিওতে আরও তিনি আওয়ামী লীগ আমলে ব্যবসা পরিচালনার প্রসঙ্গ টেনে বিভিন্ন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে বলেন—
আমি যদি এত কিছু চিন্তা করতাম, তাহলে আওয়ামী লীগের আমলেই জাহির ভাই, আতাউর রহমান সেলিম ভাই, কাদির চাচা—অখলতারকে বাদ দিয়ে ব্যবসা করতে পারতাম না।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব ব্যবহার করে তিনি সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অবৈধ বালু ব্যবসা পরিচালনা করছেন। এতে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে এবং এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এলাকাবাসী দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
পড়ুন- পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ হয়েছে, প্রশ্নফাঁসের সুযোগ নেই: শিক্ষামন্ত্রী
দেখুন- সরকারের বিভিন্ন চলমান কার্যক্রম নিয়ে যা জানালেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা


