বিজ্ঞাপন

শহরের তুলনায় গ্রামে ভয়াবহ লোডশেডিং

দিন যত যাচ্ছে ততই গরম বাড়ছে। আবার গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লোডশেডিং। তীব্র গরমে লোডশেডিং বাড়ায় জনজীবন নাজেহাল। শহরের তুলনায় গ্রামে লোডশেডিং ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এই সময়ে লোডশেডিং বৃদ্ধি পাওয়ায় এসএসসি পরীক্ষার্থীরা পড়েছে বিপাকে।

লোডশেডিং বাড়ার কারণ হিসেবে জানা গেছে, ভারতীয় কোম্পানি আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট কারিগরি কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। এতে ভারত থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ নেমে গেছে অর্ধেকে। এর ফলে লোডশেডিংয়ের মাত্রাও বেড়েছে।

এদিকে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদে পানি কমে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে আরও একটি ইউনিট। ফলে মোট ৪ টি ইউনিট বন্ধ করা হলো। কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুমে সূত্রে জানা গেছে, বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে এই কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটেের মধ্যে দুইটি ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছিল। কাপ্তাই হ্রদের পানির লেভেল দ্রুত কমতে থাকায় ২১ এপ্রিল মঙ্গলবার থেকে শুধুমাত্র একটি করে ইউনিট চালু রেখে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে।

কর্ণফুলি পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট চালু থাকলে ২ শত ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়।

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির তথ্য বলছে, গতকাল (২১ এপ্রিল) সন্ধ্যা-পিকে (রাত ৯টা) আদানি থেকে বিদ্যুৎ এসেছে ১ হাজার ৪৪৯ মেগাওয়াট। আজ (২২ এপ্রিল) ডে পিকে (দুপুর ১২টা) বিদ্যুৎ এসেছে ৭৫১ মেগাওয়াট।

ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যে নির্মিত আদানির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার। ২০১৭ সালে আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি করে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিট আছে সেখানে। একটি ইউনিট বন্ধের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছে।

তথ্য বলছে, গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা পিকে লোডশেডিং ছিল ১ হাজার ৮৪০ মেগাওয়াট, আজ বুধবার ডে পিকে লোডশেডিং হয়েছে ২ হাজার ২৭১ মেগাওয়াট।

এদিকে, জ্বালানি সংকটকালীন উৎপাদন ধরে রেখে চাহিদা মতো বিদ্যুৎ সরবরাহে হিমশিম খাচ্ছে পিডিবি। এর মধ্যে আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ কমায় চাপ আরও বেড়েছে। আদানির ওই ইউনিটটির উৎপাদনে ফিরতে কয়েকদিন সময় লাগতে পারে বলে ধারণ করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : তিন উপ-পুলিশ কমিশনারকে বদলি করলো ডিএমপি

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন