ভাড়া নির্ধারণে বাস মালিকদের জনবিরোধী দাবির কাছে নতিস্বীকার না করে দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থ প্রাধিকার দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং সড়ক পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। একইসঙ্গে সিএনজিচালিত বাসে ডিজেলচালিত বাসের হারে বর্ধিত ভাড়া আদায় বন্ধের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বাস ভাড়া ১১ পয়সা বৃদ্ধির সিদ্ধান্তের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রয়ায় বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এ দাবি জানান।
বার্তায় বলা হয়, ডিজেলের মূল্য মাত্র এক টাকা বাড়লেও নানানখাতে অযৌক্তিক হিসাব ধরে ভুয়া ব্যয় বিশ্লেষণ করে বাস মালিক সমিতি ৬৪ শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধির নানাভাবে পাঁয়তারা করে সরকারকে চাপ দিতে থাকে।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের আগস্টে ডিজেলের মূল্য একলাফে ৩৪ টাকা বৃদ্ধি করে ১১৪ টাকা করায় তখন বাস ভাড়া প্রতিকিলোমিটারে ৪০ পয়সা বা ২২ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়। সেই বর্ধিত ১১৪ টাকা লিটারের ডিজেলের মূল্য কয়েক দফায় কমতে কমতে ১০০ টাকা আসলে সরকার তিনদফায় ৮ পয়সা বাস ভাড়া কমালেও কোন বাসে কমানো ভাড়ার সুবিধা পাইনি দেশের যাত্রী সাধারণ। এই কমানো ভাড়া সুফল যাত্রীরা পাচ্ছে কিনা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো প্রকার তদারকি ছিল না। এবার ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা করা হয় অর্থাৎ ১ টাকা বাড়ানোর কারণে সরকার ডিটিসিএ এলাকার বাসে ৪.৭৪ শতাংশ, দূরপাল্লার বাসে ৫.১৯ শতাংশ, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীর সিটি বাসে ৪.৪৫ শতাংশ ভাড়া বাড়ালেন। অতীতে সরকার বাস মালিকদের খুশি রাখতে নানান অজুহাতে দফায় দফায় ভাড়া বাড়িয়ে দিলেও বাস মালিকেরা সরকারের বেঁধে দেওয়া ভাড়ার কয়েকগুণ বেশি ভাড়া আদায় করে।
পড়ুন : হাম রোগীকে অন্য হাসপাতালে রেফার করা যাবে না: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর


