মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক জলপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এই জলপথের ওপর তেহরানের কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ বা খবরদারি যুক্তরাষ্ট্র কখনোই মেনে নেবে না।
স্থানীয় সময় সোমবার (২৭ এপ্রিল) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ইরান যে নতুন নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে, তা গ্রহণযোগ্য নয়।”
বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহের প্রধান জলপথ হরমুজ প্রণালি নিয়ে কয়েক মাস ধরেই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের পর ইরান একটি সমঝোতার ইঙ্গিত দেয়। তেহরান জানিয়েছিল, ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো নির্দিষ্ট সমঝোতায় পৌঁছাতে পারলে তারা হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করে দেবে। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই প্রস্তাবকে সদিচ্ছার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন না।
মার্কো রুবিও ফক্স নিউজকে বলেন, “তেহরান যখন প্রণালি খোলার কথা বলে, তখন এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য কাজ করছে। তাদের এই প্রস্তাবের মানে হলো, প্রণালি খোলা থাকবে তবে শর্ত হলো, প্রত্যেকটি জাহাজকে ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে এবং তাদের অনুমতি নিতে হবে। এমনকি এই অনুমতির বিনিময়ে দেশগুলোকে ইরানকে অর্থও দিতে হবে।”
রুবিও আরও বলেন, “এটি কোনোভাবেই আন্তর্জাতিক জলপথ উন্মুক্ত রাখা নয়, বরং এটি একধরনের জবরদস্তি। কোনো একক দেশ আন্তর্জাতিক জলপথের মালিক হতে পারে না।”
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও যোগ করেন, “ইরান আন্তর্জাতিক জলপথের ব্যবহারের অধিকার নির্ধারণ করার এখতিয়ার রাখে না। তাদের পক্ষে এমন একটি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয় যেখানে ইরানের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ চলতে পারবে কিংবা তাদের চাঁদা দিতে হবে। এটি আন্তর্জাতিক আইনের সরাসরি লঙ্ঘন এবং যুক্তরাষ্ট্র এ ধরনের অন্যায্য শর্ত মেনে নিতে রাজি নয়।”
পড়ুন: দেশে ১ লাখ ৭০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল মজুত: ডা. জাহেদ
আর/


