যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি রিয়াদুল হক মিল্টনের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, জুয়া পরিচালনা এবং হামলার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় হামলায় আহত দাবি করে কোতয়ালী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় যুবক আশিকুজ্জামান।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আশিকুজ্জামান বসুন্দিয়া ইউনিয়নের জঙ্গলবাধাল গ্রামের বাসিন্দা। তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন, রিয়াদুল হক মিল্টন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা, জুয়া বোর্ড পরিচালনা ও বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তার এসব কর্মকাণ্ডে এলাকার যুবসমাজ ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রায় দুই মাস আগে এলাকার এক ভূমিহীন ব্যক্তি সমীর মিয়ার জন্য স্থানীয় কয়েকজন যুবক মিলে একটি বাথরুম নির্মাণে সহযোগিতা করেন। এ সময় ওই জমি থেকে সমীর মিয়াকে উচ্ছেদের চেষ্টা করেন রিয়াদুল হক মিল্টন। এতে আশিকুজ্জামান ও তার বন্ধুরা বাধা দিলে তাদের সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি হয়।
অভিযোগকারী দাবি করেন, গত ২৪ এপ্রিল রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে জঙ্গলবাধাল স্কুল মাঠ এলাকায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় প্রথমে রিয়াদুল হক মিল্টন তাকে মারধর করেন এবং পরে তার সহযোগীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
এ ঘটনায় ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি রিয়াদুল হক মিল্টন, রশিদ, মামুন, বেলায়েত ও আকরামের নাম উল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ভুক্তভোগী আশিকুজ্জামান। এই হামলায় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরাও জড়িত ছিল বলে তিনি দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে যশোর কোতয়ালি মডেল থানার (ওসি) তদন্ত কাজী বাবুল জানান, একটি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


