বিজ্ঞাপন

এবি পার্টির অগ্রযাত্রা বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা হয়ে থাকবে: ড. মঈন খান

প্রতিবাদ থেকেই আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি) উত্থান হয়েছে এবং এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও দেশের রাজনীতিতে ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। তিনি বলেন, এবি পার্টির অগ্রযাত্রা বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা হয়ে থাকবে।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (২ মে) এবি পার্টির ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মঈন খান বলেন, যখনই গণতন্ত্রের পথ থেকে দেশ বিচ্যুত হয়েছে, তখনই আন্দোলন ও প্রতিবাদ হয়েছে। ১৯৭১ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত জনগণ বারবার ভুল শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে দেশকে সংশোধনের পথে নিয়ে এসেছে। তিনি আরও বলেন, জনগণ কখনো ভুল করেনি, বরং রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভুলই আন্দোলনের জন্ম দিয়েছে।

অনুষ্ঠানে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, দেশের মানুষ এখন আবেগনির্ভর ও প্রতিশ্রুতিনির্ভর রাজনীতি চায় না। তারা বাস্তবভিত্তিক, জবাবদিহিমূলক ও জনকল্যাণমুখী রাজনীতি প্রত্যাশা করে। তার দাবি, এবি পার্টি সেই বিকল্প রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার চেষ্টা করছে।

অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত রাজনীতি প্রতিষ্ঠাই সাম্প্রতিক আন্দোলনের বড় অর্জন।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, জুলাই আন্দোলন রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের একটি বড় আকাঙ্ক্ষা তৈরি করেছে।

এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভুঁইয়া বলেন, এবি পার্টি আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং ছাত্রশক্তি গঠনের আগেও পাশে ছিল। তিনি বলেন, সব রাজনৈতিক শক্তির সম্মিলিত ত্যাগের ফলেই গণঅভ্যুত্থান সম্ভব হয়েছে।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, বর্তমান সময় গণতন্ত্র পুনর্গঠনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। তিনি শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

বিএনপি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা, সাবেক আইন কর্মকর্তা, শিক্ষক ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দলের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিশের মহাসচিব ড. আহমদ আব্দুল কাদের, নাগরিক ঐক্যের সদস্য সচিব শহীদুল্লাহ কায়সার, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, ন্যাপের সভাপতি জেবালুর রহমান গণি, শহীদ নাফিসা মারওয়ার বাবা আবুল হোসেন, বিডিপির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চান, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান ও শহীদ নাঈমার আম্মা আইনুন্নাহার।

পড়ুন: জুলাই-অভ্যুত্থানের পর ৪৯৬ সাংবাদিক হয়রানি, ২৬৬ জনকে করা হয় হত্যা মামলার আসামি

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন