ঢাকায় তিন দিনব্যাপী ব্যতিক্রমধর্মী ‘খেলাই পড়া: খেলতে খেলতে বহুভাষা শিখুন’ শীর্ষক কর্মশালা শেষ হয়েছে। ভাষাগত বৈচিত্র্য, আন্তঃসাংস্কৃতিক বোঝাপড়া এবং বৈশ্বিক সম্প্রীতি জোরদারের লক্ষ্যে এ কর্মশালার আয়োজন করে আম্মাম ট্রাস্ট ও আম্মাম একাডেমি।
গত ৩০ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত রাজধানীর মিরপুরে ঋদ্ধি’র স্টুডিও হলে প্রতিদিন কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজকরা জানান, ‘খেলাই পড়া’ একটি অভিনব শিক্ষাপদ্ধতি, যেখানে খেলার মধ্য দিয়েই শেখার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা জানান, তারা ডিজিটাল ডিভাইসের নির্ভরতা থেকে কিছুটা দূরে থেকে স্বস্তি পেয়েছেন। ক্যারম, লুডু, দাবা, ডার্ট ও উনো খেলার মাধ্যমে শিশু থেকে বয়স্ক—সব বয়সী অংশগ্রহণকারীরা আনন্দঘন পরিবেশে নতুন ভাষার শব্দভাণ্ডার আয়ত্ত করেন। এতে শেখার ভীতি কমে গিয়ে ভাষা শিক্ষা হয়ে ওঠে আরও অংশগ্রহণমূলক ও স্বতঃস্ফূর্ত।
উদ্বোধনী বক্তব্যে বিশিষ্ট নারী নেত্রী ও মৃত্তিকাকর্মী জাকিয়া শিশির বলেন, ‘খেলাই পড়া’ ধারণাটি আধুনিক বিশ্বের জন্য সময়োপযোগী একটি উদ্ভাবন। তিনি বলেন, এই মডেল ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থান, সংস্কৃতি সংরক্ষণ এবং সৃজনশীলতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আহমেদ রেজা। তিনি বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে কবি আনিস মুহম্মদ ভাষা-দর্শনের একটি বাস্তব প্রয়োগ উপস্থাপন করেছেন, যা বিশ্বমানের ভাষা চিন্তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
কর্মশালার উদ্যোক্তা কবি আনিস মুহম্মদ বলেন, এই পদ্ধতিতে পঞ্চইন্দ্রিয়ের ব্যবহার ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা অল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ শব্দ ও চিত্র দীর্ঘমেয়াদি স্মৃতিতে সংরক্ষণ করতে সক্ষম হয়।
পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
আর/


