বিজ্ঞাপন

মেহেরপুর আদালতে এই প্রথম শুরু হলো ভার্চুয়াল সাক্ষী জেরা

বিচার কার্যক্রমকে দ্রুত ও ত্বরান্বিত করতে মেহেরপুর আদালতে শুরু হয়েছে ভার্চুয়ালী সাক্ষী জেরা গ্রহণ কার্যক্রম। আজ বৃহস্পতিবার মেহেরপুর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক দায়রা জজ মো: তাজুল ইসলাম শিশু ধর্ষণ- ৩৬/২৬ মামলায় ভিডিও কলে চিকিৎসক, বিচারক এবং পুলিশের সাক্ষী জেরা গ্রহণ করে বিচার কার্যক্রমে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে শুরু হলো ডিজিটিলাইজেশন প্রক্রিয়া।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় মেহেরপুর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে শিশু ধর্ষণ মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হলে ভিডিও কনফারেন্সে সাক্ষী জেরায় মামলার সাক্ষী হিসেবে সংযুক্ত হোন মামলার মেডিকেল অফিসার বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেলের গাইনী বিভাগের চিকিৎসক সাদিয়া আফরিন সোমা, শিশুর ২২ ধারা মতে জবানবন্দি গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট বর্তমানে নেত্রকোনা জেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শারমিন নাহার এবং শিশুর মেডিকেল বোর্ডের সদস্য মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) এসএম জাহিদুল ইসলামের সাক্ষী জেরা গ্রহণ করা হয়।
বিচারকের সন্মুখে আদালতে উপস্থিত থেকে ভার্চুয়াল এই সাক্ষী জেরা গ্রহণ করেন রাস্ট্রপক্ষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুলের পিপি মুস্তাফিজুর রহমান তুহিন এবং আসামী পক্ষে আইনজীবী মারুফ আহমেদ বিজন। এ সময় কাঠগড়ায় মামলার বাদীপক্ষ ও আসামী শাকিল হোসেন সহ উৎসুক আইনজীবীগণ উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘ দু’ঘন্টা এই চাঞ্চল্যকর শিশু ধর্ষণ মামলার সাক্ষী জেরা অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য ১০ জুন ২০২৫ সাল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুল পড়ুয়া শিশু পিতার জন্য কৃষি মাঠে খাবার নিয়ে যাওয়ার সময় আসামী শিশুর পথরোধ করে তাকে ধারালো হাসুয়া দিয়ে খুন করার ভয় দেখিয়ে গাংনী চাঁদপুর গ্রামের একটি পাটক্ষেতের ভিতরে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় শিশুর আর্তনাদে আসামী একপর্যায়ে শিশুকে ছেড়ে দেয়। এই ঘটনায় গাংনী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় মামলা হয়।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন:আখাউড়ায় যৌতুকের দাবিতে চুল কেটে নির্যাতন সেই স্বামী গ্রেপ্তার

দেখুন:বরগুনায় চিত্র সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানববন্ধন |

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন