চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানায় দায়ের করা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঘিরে সহিংসতা ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় পটিয়ার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কাশেম চেয়ারম্যানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর পটিয়া ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন থানায় আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক, হামলা, হত্যাচেষ্টা ও নাশকতার অভিযোগে একাধিক মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে বাকলিয়া থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম জেলা কারাগারের জেল সুপার ইকবাল হোসাইন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পটিয়ার রাজনীতিতে আলোচিত ব্যক্তি ছিলেন আবুল কাশেম চেয়ারম্যান। তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ওপর হামলা, টেন্ডার ও ভূমি দখল, সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রভাব খাটানোর অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পটিয়া থানার একাধিক সূত্র জানায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ও পরবর্তী সহিংসতায় তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ উঠে আসে। এসব ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলাগুলোর তদন্ত চলমান রয়েছে। তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া কয়েকটি মামলায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের অভিযোগও রয়েছে।
বাকলিয়া থানার ওসি মো. সোলাইমান বলেন, “আবুল কাশেমকে বাকলিয়া থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা বিভিন্ন থানায় তদন্তাধীন রয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
পড়ুন : পটিয়ায় ব্যবসায়ীকে হত্যা: আসামি আবু তাহের দুই দিনের রিমান্ডে


