বিজ্ঞাপন

মির্জাপুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে জখম ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে সৎ বোনের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়াকে কেন্দ্র করে এক পরিবারে হামলা, কুপিয়ে জখম ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের তিনজন আহত হয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের সল্প মহেড়া এলাকায়। আহতরা হলেন— ওই এলাকার মৃত আবু মিয়ার ছেলে যুবরাজ মিয়া (২৮), তার স্ত্রী টুম্পা আক্তার (২৭) এবং ছেলে রিদোয়ান রহমান (১৬)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ মার্চ সন্ধ্যা ৭টার দিকে ভুক্তভোগীদের নিজ বাড়িতে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঠা নিয়ে হামলা চালায় কয়েকজন। হামলায় যুবরাজ ও তার ছেলে রিদোয়ানের মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে তাদের টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় টুম্পা আক্তার বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায় ৪ জনের নাম উল্লেখ করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে আরও ২-৩ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।

অভিযুক্তরা হলেন— সিদ্দিকের ছেলে ফারদিন (২৫), মৃত আফসার আলীর ছেলে সিদ্দিক (৬৫), তার স্ত্রী ফিরোজা পারভীন (৫২)সহ মৃত আজিবুর রহমানের ছেলে ফিরুজ (৪৩)।

মামলার বাদী টুম্পা আক্তার বলেন,আমি আমার দুই ছেলেকে নিয়ে সৎ বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলাম। সেটাকে কেন্দ্র করে আসামিরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমার স্বামী ও ছেলের মাথায় কুপিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। ডাক্তার ১০টির বেশি সেলাই দিয়েছেন। প্রায় দুই মাস হয়ে গেলেও আমি এখনো বিচার পাচ্ছি না।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অভিযুক্তদের কাউকে এলাকায় পাওয়া যায়নি। তাদের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয়রা জানান, উভয় পক্ষই পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দায়ের করেছে। এক মামলায় আহত পক্ষের কয়েকজন জেলও খেটেছেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে মির্জাপুর থানার এস,আই নাইমুল হক বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। মেডিকেল রিপোর্ট পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় ট্রাক-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন