বিজ্ঞাপন

শিক্ষার্থীর ওপর হামলার পর গুলিয়াখালী সৈকতে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ

চট্টগ্রামের এলাকায় গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট ও অস্থায়ী স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে সীতাকুণ্ড উপজেলা প্রশাসন। সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সংরক্ষণ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আজ বিকালে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বিজ্ঞাপন

উপজেলা প্রশাসন জানায়, দীর্ঘদিন ধরে সৈকতের বিভিন্ন স্থানে অনিয়ন্ত্রিতভাবে দোকান ও অস্থায়ী স্থাপনা গড়ে ওঠায় পরিবেশ ও পর্যটন ব্যবস্থাপনায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছিল। এছাড়া জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও বাধা সৃষ্টি হচ্ছিল। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

এর আগে গতকাল গুলিয়াখালী সৈকতে পর্যটকদের ওপর হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীসহ অন্তত ১২ জন আহত হন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দোলনায় বসাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় কয়েকজন যুবকের সঙ্গে পর্যটকদের বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। পরে পর্যটকদের মারধরের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় পাঁচজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও দর্শনার্থীদের অভিযোগ, সৈকত এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কিছু প্রভাবশালী যুবকের আধিপত্য রয়েছে। পার্কিং, দোলনা, বসার স্থান ও খাবারের বিল নিয়ে প্রায়ই পর্যটকদের সঙ্গে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় এসব ঘটনা দিন দিন বাড়ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

জানা গেছে, প্রতিদিন হাজারো পর্যটকের আগমন ঘটলেও গুলিয়াখালী সৈকতে এখনো কোনো স্থায়ী পুলিশ চৌকি কিংবা কার্যকর বিচ ব্যবস্থাপনা কমিটি গড়ে ওঠেনি। ফলে অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে পর্যটকরা তাৎক্ষণিক সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফকরুল ইসলাম বলেন, “গুলিয়াখালীসহ উপজেলার সব পর্যটনকেন্দ্রে আগত দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় উপজেলা প্রশাসন কাজ করছে। এরই অংশ হিসেবে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।”

সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম জানান, পর্যটকদের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে ইতোমধ্যে দুজনকে আটক করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পড়ুন- যুদ্ধ অবসানে মার্কিন প্রস্তাবের জবাব পাকিস্তানের মাধ্যমে দিলো ইরান

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন