বিজ্ঞাপন

মায়ের কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত নাট্যব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান

রাজধানীর বনানী কবরস্থানে মায়ের কবরেই সমাহিত হলেন বরেণ্য নাট্যব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান। মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে জানাজা ও শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

এর আগে রাজধানীর মগবাজারে ইস্পাহানি সেঞ্চুরি আর্কেডে নিজ বাসভবনের সামনে বাদ জোহর তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তার ছোট ভাই আবু নোমান মামুদুর।

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন মামুনুর রশীদ, জাহিদ হাসান, নাসির উদ্দীন ইউসুফ বাচ্চু, গাজী রাকায়েতসহ সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বহু মানুষ।

জানাজার পর সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য আতাউর রহমানের মরদেহ নেওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেখানে রাষ্ট্রীয় ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পক্ষ থেকে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়।

সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এই নাট্যব্যক্তিত্ব। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর।

নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের এই প্রতিষ্ঠাতা ‘গডোর প্রতীক্ষায়’, ‘গ্যালিলিও’, ‘ঈর্ষা’, ‘রক্তকরবী’, ‘ক্রয়লাদ ও ক্রেসিদা’, ‘এখন দুঃসময়’, ‘অপেক্ষমাণ’- এর মতো নাটকগুলোও নির্দেশনা দিয়েছেন।

নাগরিকের বাইরে আতাউর রহমান ‘আগল ভাঙার পালা’, ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’, ‘ম্যাকবেথ’, ‘গডোর প্রতীক্ষায়’, ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’, ‘নারীগণ’, ‘রুদ্র রবি ও জালিয়ানওয়ালাবাগ’ নাটকগুলো নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষকতার পাশাপাশি ‘প্রজাপতি নিবন্ধ’, ‘মঞ্চসারথির কাব্যকথা’, ‘নাটক করতে হলে’, ‘নাট্যপ্রবন্ধ বিচিত্রা’, ‘লেখনী’সহ নানা বই প্রকাশ করেছেন। অভিনয় করেছেন বেশ কিছু টিভি নাটক ও চলচ্চিত্রে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : নাট্যব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান মারা গেছেন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন