বিজ্ঞাপন

কাল দেশে আসছে কারিনার মরদেহ, দাফন মুন্সীগঞ্জে

লিভার-সংক্রান্ত জটিলতায় মারা গেছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের চেন্নাইয়ে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আর আগামীকাল রোববার (১৭ মে) ভারত থেকে দেশে আসবে তার মরদেহ। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন তার বাবা ও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদ।

বিজ্ঞাপন

তিনি জানান, আগামীকাল দুপুর ৩টা নাগাদ কারিনা কায়সারের মরদেহ দেশে পৌঁছাবে। এরপর বাদ আসর বনানী ডিওএইচএস জামে মসজিদ প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা শেষে মুন্সীগঞ্জ জেলা গজারিয়া উপজেলা তাকে দাফন করা হবে।

লিভারসংক্রান্ত জটিলতায় কয়েকদিন ধরে সংকটাপন্ন ছিলেন কারিনা। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয় তাকে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ভারতের চেন্নাই নেওয়া হয়। সেখানে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতিও চলছিল বলে জানা গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত হন কারিনা। পরে তার শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। একই সঙ্গে হেপাটাইটিস এ এবং ই-জনিত জটিলতায় তার লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয় এবং পরে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।

কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচিতি পেলেও সাম্প্রতিক সময়ে অভিনয় ও চিত্রনাট্য লেখার কাজ নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন কারিনা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার প্রাণবন্ত উপস্থাপনা ও জীবনঘনিষ্ঠ কনটেন্ট তরুণ দর্শকদের কাছে তাকে জনপ্রিয় করে তোলে। পরে ওটিটি ও নাটকের জগতেও ধীরে ধীরে নিজের জায়গা করে নেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি চিত্রনাট্যকার হিসেবেও কাজ করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘ইন্টার্নশিপ’ ও ‘৩৬-২৪-৩৬’।

কারিনার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোক প্রকাশ করছেন সহকর্মী, নির্মাতা ও ভক্তরা।

পড়ুন:সবাই বাঙালি নয়, মানচিত্রে বসবাসকারী সবাই বাংলাদেশি : জ্বালানি মন্ত্রী

দেখুন:মহাস্থানগড়ে সাধু সন্ন্যাসীদের মিলনমেলা, প্রকাশ্যে চলে ‘গাজা উৎসব

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন