বিজ্ঞাপন

নওগাঁয় ঝড়ে লন্ডভন্ড বাড়িঘর-দোকানপাট

নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রবল ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে ঘরবাড়ি ও দোকানপাট। মাটিতে নুয়ে পড়ে ধান খেত। এছাড়া গাছপালা ভেঙে পড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির ওপর পড়ায় বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

বিজ্ঞাপন

রোববার (১৭ মে) রাত ১২টার পর থেকেই দফায় দফায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আঘাত হানে এই ঝড়।

স্থানীয়রা জানান, রাত ১২টার পর থেকেই দফায় দফায় শুরু হয় ঝড়-বৃষ্টি। এতে উপজেলার ছোট চাঁদপুর, বড় চাঁদপুর, হরিরামপুর, মাহমুদপুর, চকজয়রাম, ঠুকনিপাড়া, নতুনহাট, পালসাসহ বিভিন্ন গ্রামের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঝড়ের তীব্রতায় অনেক কাঁচা ও আধাপাকা ঘরবাড়ি ও দোকানপাট লন্ডভন্ড হয়েছে। বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ে ভেঙে গেছে ঘরবাড়ি। অনেক জায়গায় সড়কে গাছপালা ভেঙে পড়ায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ। ঝড়ের সময় মেঘের গর্জন ও বিজলী ঝলকানিতে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ছোট চাঁদপুর গ্রামের শামসুল আলম বলেন, ‘একসপ্তাহ আগেই টিন দিয়ে ঘর তৈরি করি। রাতের ঝড়ে আমার ঘরের চাল উড়ে গেছে। এতে আমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।’

হরিরামপুর গ্রামে আমিনুল বলেন, ‘কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমার বাড়ির ঘর ঝড়ে লন্ডভন্ড গেছে। ঘরের সব চাল উড়ে গেছে। এখন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছি।’

নজিপুর বাসস্ট্যান্ড বণিক কমিটির সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘রাতে দফায় দফায় বয়ে যাওয়া ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নজিপুর পৌর এলাকার বিভিন্ন মোড়ে প্রায় ৪০০ চালা ঘরের চাল উড়ে গেছে। এছাড়া রাত থেকেই অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে পত্নীতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আরা বলেন, ‘উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার খবর পেয়েছি। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব নিরূপণের কাজ চলছে।’

পড়ুন- যেসব এলাকায় টানা ১৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন