বিজ্ঞাপন

আল ফালাহ আম উন্নয়ন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগ

দিনাজপুর আল ফালাহ আম উন্নয়ন সংস্থার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মমতাজুল ইসলামসহ ১০ জন প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দায়ের এবং পুলিশী অপতৎপরতার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এলাকাবাসী।

বিজ্ঞাপন


গতকাল রোববার দুপুরে দিনাজপুর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান সরকার। এ সময় আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন, আলহাজ্ব এশার আলী, মো: তমিজ উদ্দীন, শাহিনুর আলম, তসলিম উদ্দীনসহ রাজবাটী এলাকার বেশ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।


সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, রাজবাটীতে অবস্থিত আল ফালাহ আম উন্নয়ন সংস্থা, গত ১৯৮৯ইং সালে উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য যথাক্রমে মোঃ মমতাজুল ইসলাম, মোঃ বদিউল আলম পাটোয়ারী, মোঃ আনিসুর রহমান মোঃ এশার আলী ও মোঃ তমিজ উদ্দীন এই ৫ জনে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সঞ্চয়ের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করেন। হাটি হাটি পা পা করে সংস্থাটি বর্তমানে এই অবস্থানে এসেছে। শুরু হয় প্রতিষ্ঠানে সু-সময়ের সুযোগ সন্ধানী বন্ধুদের আগমন। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানে এলাকার শিক্ষিত বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান এবং অসহায় গরীবদের সাহায্য দানের কারনে আমরা এলাকাবাসী খুব সন্তুষ্ট।


গত ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট থেকে আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, কতিপয় সুবিধাভোগী সু-কৌশলে সংগঠনের কমিটিতে প্রবেশ করে প্রতিষ্ঠানের নিবেদিত প্রাণ প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা মোঃ মমতাজুল ইসলামকে তার পদ থেকে সরিয়ে তাদের মনোপুত ব্যাক্তিকে ওই চেয়ারে বসাবেন। মমতাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে আনা সব বিষয়ে ইতিপূর্বে সুষ্ঠ সমাধান হলেও পুনরায় ওই স্বার্থ সন্ধানী মহল তাঁকে এবং সকল প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদেরকে প্রতিষ্ঠান থেকে সরানোর জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। তারই ধারাবাহিকতায় গত ১১ মে সোমবার সকাল সাড়ে ১১ টায় আল ফালাহ উন্নয়ন সংস্থা দিনাজপুরে প্রধান ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা পরিচয়ে এস.এম. মামুন উর রশিদ, (সংস্থায় কর্মরত অবস্থায় গত ১৮/০৮/২০১৪ইং সালে অসদাচরনের দায়ে পদাবনতি প্রাপ্ত হন) দায়িত্ব গ্রহনের জন্য সংস্থায় আসেন এবং তাকে কমিটি জোর করে দায়িত্ব দিয়েছেন, সেজন্য তিনি দায়িত্ব পালন করবেন না বলে লিখিত দিয়ে চলে যান।

কিছুক্ষনের মধ্যে কোতয়ালী থানার এস.আই মনিরুজ্জামান (লিখন) সঙ্গে এস.আই রতন সহ সংস্থার সম্মুখে আসেন এবং এস.এস. মামুন উর রশিদকে রাস্তা থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। অতঃপর কমিটির সদস্য তৈমুল ইসলাম, তাইবুর রহমান ও তাহেরা বেগম গংদের ডেকে আনেন। এস.আই. মনিরুজ্জামান সংস্থার অফিস কক্ষে উপস্থিত এলাকাবাসীসহ সকলের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করেন। মনিরুজ্জামান সাহেব উপস্থিত সকলের সামনে ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে যোগদান করতে আসা এস.এম. মামুন উর রশিদকে প্রশ্ন করেন যে, তোমাকে কেউ বাধা দিয়েছে কি না? উত্তরে তিনি বাধা দেন নাই বলেন এবং একটি কাগজে তিনি লিখিত দিয়ে চলে যাচ্ছিলেন বলে জানান। অথচ এস.আই. মনিরুজ্জামান ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং ওসি সাহেব মামলা করতে বলেছেন এবং এক্ষুনি গিয়ে একটি জি.ডি করে মামলা করে সবাইকে গ্রেফতারের ভয় দেখিয়ে চলে যান। থানার কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মিটিংয়ে চাঁদাবাজির কোন কথাও উত্থাপিত হয় নাই।


পরের দিন আমরা জানতে পারলাম, সভায় উপস্থিত ২ জন প্রতিষ্ঠাতা সদস্যসহ ১০ জনের নামে চাঁদাবাজির মামলা করা হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মমতাজুল ইসলামকে ১নং আসামী করা হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা। পুলিশ শুধু মামলা নিয়েই ক্ষান্ত হন নাই, তারা পরের দিন সংস্থার তালা ভেঙ্গে এস.এম. মামুন উর রশিদ গংদেরকে অফিসে ঢুকিয়ে দিলেন আমরা পুলিশী অপতৎপরতার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে এলাকাবাসী সংস্থার উর্দ্ধতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা এবং সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ তদন্তের আবেদন জানাচ্ছি।

পড়ুন- ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন